
শেষ আপডেট: 22 April 2025 21:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাশ্মীরের পহেলগামে (Pahalgam terror attack) পর্যটকদের উপর জঙ্গি হামলাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়ে গেছে। মঙ্গলবার সন্ধেয় এ ব্যাপারে মোদী সরকারকে তুলোধনা করেছেন লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর কথায়, ‘কাশ্মীরে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে এসেছে’— বলে যে দাবি করে সরকার তা ফাঁপা। এর দায় সরকারকে নিতে হবে। (kashmir news)
কাশ্মীরের পহেলগামে (terrorist attack in kashmir) এদিন জঙ্গিদের এলোপাথারি গুলিতে অন্তত ২৬ জন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজন বিদেশি। তা ছাড়া আহতের সংখ্যা আরও বেশি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যেমন সৌদি আরব সফরে রয়েছেন, তেমনই রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) রয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। টুইট করে রাহুল বলেন, “কাশ্মীরের পাহালগামে কাপুরুষোচিত জঙ্গি হামলায় পর্যটকদের মৃত্যু এবং বহু মানুষের আহত হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও নিন্দনীয়। আমি নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি”। তাঁর কথায়, “পুরো দেশ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। এখন সময় এসেছে কেন্দ্রের ‘স্বাভাবিকতার দাবির’ থেকে বেরিয়ে এসে দায়বদ্ধতা নেওয়ার এবং এমন বর্বর ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, তার জন্য কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার।”
जम्मू-कश्मीर के पहलगाम में हुए कायराना आतंकी हमले में पर्यटकों के मारे जाने और कई लोगों के घायल होने की ख़बर बेहद निंदनीय और दिल दहलाने वाली है।
— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) April 22, 2025
मैं शोकाकुल परिवारों के प्रति गहरी संवेदनाएं व्यक्त करता हूं और घायलों के जल्द स्वस्थ होने की आशा करता हूं।
आतंक के खिलाफ पूरा देश…
এই ঘটনায় কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন,“এই কাপুরুষোচিত হামলা মানবতার কলঙ্ক। দেশের নিরাপত্তা সবার উপরে। সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসের মোকাবিলায় কেন্দ্র সরকারকে অবিলম্বে সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।”
তিনি বলেন, কংগ্রেসের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হচ্ছে এবং আহতদের পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির নেত্রী মেহবুবা মুফতি এই হামলাকে “অসমর্থনযোগ্য” বলে মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, “ইতিহাসে কাশ্মীর সবসময় পর্যটকদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছে। এই হামলা সেই ঐতিহ্যের বিরুদ্ধে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রয়োজন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার কোথায় ফাঁক ছিল, তাও খতিয়ে দেখা দরকার। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”
হামলার জেরে উপত্যকা জুড়ে নিরাপত্তা বাহিনী হাই অ্যালার্ট জারি করেছে। রাজনীতিকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও ক্ষোভ ও শোক প্রকাশ করেছেন এই পরিকল্পিত জঙ্গি হামলার বিরুদ্ধে।