Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটো

সরকারি আধিকারিক পরিচয় দিয়ে ২০০ কোটি টাকার প্রতারণা, ত্রিপুরায় গ্রেফতার ব্যক্তি

আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। তদন্তকারীদের অনুমান, সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে যোগসাজশ ছাড়া এত বড়সড় প্রতারণা সম্ভব নয়। 

সরকারি আধিকারিক পরিচয় দিয়ে ২০০ কোটি টাকার প্রতারণা, ত্রিপুরায় গ্রেফতার ব্যক্তি

প্রতীকী ছবি

নিশান্ত চৌধুরী

শেষ আপডেট: 31 August 2025 12:37

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিজেকে ত্রিপুরা সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিক পরিচয় দিয়ে কোটি কোটি টাকার প্রতারণা চালাতেন এক যুবক। অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ধৃতের নাম উৎপল কুমার চৌধুরী।

ইডি সূত্রে খবর, উৎপলের কাছ থেকে ত্রিপুরা সরকারের একাধিক দফতরের জাল স্ট্যাম্প, নকল পরিচয়পত্র এবং নানা ভুয়ো নথি উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ, এই সমস্ত নথি ব্যবহার করে তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা তুলতেন। শুধু তাই নয়, একটি ভুয়ো বেসরকারি সংস্থা তৈরি করে বহু প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষের কাছ থেকেও কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, উৎপল নিজেকে ত্রিপুরার উচ্চশিক্ষা দফতরের অধিকর্তা হিসেবে পরিচয় দিতেন। সেই পরিচয়ের আড়ালে বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রতারণা করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, বহু ছাত্রছাত্রীকে উন্নত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মোটা টাকা নিতেন তিনি। এমনকি একটি স্বীকৃত বেসরকারি সংস্থাকেও তাঁর ফাঁদে ফেলেন। সেই সংস্থার ফরেন কনট্রিবিউশন রেগুলেশন অ্যাক্ট (FCRA) অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে টাকা আদানপ্রদানের চক্র চালাতেন উৎপল।

ইডির একটি সূত্রের দাবি, উৎপলের সঙ্গে ত্রিপুরা সরকারের কয়েকজন শীর্ষ আধিকারিকের যোগাযোগ ছিল। সেই আধিকারিকদের মাধ্যমেই তিনি বড় ব্যবসায়ী ও উচ্চপদস্থ কর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হন এবং সরকারি প্রকল্প পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা আদায় করা শুরু করেন। শুধু ত্রিপুরা নয়, দিল্লি, হরিয়ানা এবং পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত ছড়িয়ে ছিল তাঁর প্রতারণার জাল।

আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। তদন্তকারীদের অনুমান, সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে যোগসাজশ ছাড়া এত বড়সড় প্রতারণা সম্ভব নয়। ফলে শিগগিরই আরও প্রভাবশালী নাম সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।


```