Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
নৌকাডুবিতে ১৫ জনের মৃত্যু, বৃদ্ধার প্রাণ বাঁচাল ইনস্টা রিল, ফোনের নেশাই এনে দিল নতুন জীবন!‘ভূত বাংলা’-তে যিশু সেনগুপ্তর আয় নিয়ে হইচই! ফাঁস হল অঙ্কপদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটির

'বিশ্বাসে মিলায় বস্তু,' ১১এ সিট নিয়ে কাড়াকাড়ি, নাজেহাল বিমান সংস্থা থেকে ট্রাভেল এজেন্সি

শুধু লন্ডন যাওয়ার বিমান বা দেশীয় ক্ষেত্রে নয়, দুবাই বা সিঙ্গাপুরগামী বিমানে যাত্রীরা আগেভাগেই ১১এ  ‘ব্লক’ করতে চাইছেন। বিশ্বাসের বেঁচে ফেরা যেন অনেকের কাছে নতুন আশার আলো।

'বিশ্বাসে মিলায় বস্তু,' ১১এ সিট নিয়ে কাড়াকাড়ি, নাজেহাল বিমান সংস্থা থেকে ট্রাভেল এজেন্সি

ফাইল ছবি

শেষ আপডেট: 14 June 2025 18:35

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ‘বিশ্বাস ইফেক্ট,’নামেই সব বলা। আমদাবাদে ভেঙে পড়া বিমানে একমাত্র যাত্রী হিসেবে অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন যুক্তরাজ্যবাসী বিশ্বাসকুমার রমেশ। তিনি বসেছিলেন ১১এ নম্বর সিটে, ইমার্জেন্সি এক্সিটের পাশের আসন। আর তারপর থেকেই সেই সিট নিয়ে শুরু হয়েছে হুড়োহুড়ি। শুধু যে ১১এ, তা নয়, বিমানের ইমার্জেন্সি এক্সিটের ধারের সিটগুলোর চাহিদা হঠাৎ করে বেড়েছে। কলকাতা-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ট্র্যাভেল এজেন্সিগুলোতে ক্রমাগত আসছে ফোন। সকলের একটাই প্রশ্ন, '১১এ সিটটা ফাঁকা আছে কি?'

এই সিটগুলো সাধারণত অতিরিক্ত লেগ স্পেসের জন্য আগেই একটু বেশি দামে বিক্রি হয়। কিন্তু এতদিন যাত্রীরা এই সিট নিতে আগ্রহী হতেন না, কারণ বেশিরভাগ সিট রিক্লাইন হয় না, আবার জরুরি দরজা খোলার ব্রিফিংও শুনতে হয়। কিন্তু এই ঘটনার পর এখন পরিস্থিতি বদলেছে। শুধুমাত্র 'মনের শান্তি'-র জন্যই অনেকে এই আসন বেছে নিচ্ছেন।

কলকাতার পার্ক স্ট্রিটের বাসিন্দা জিতেন্দ্র সিং বাগ্গা, যিনি আগামী সপ্তাহে দিল্লি হয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন, স্পষ্ট বলছেন, 'ইমার্জেন্সি এক্সিটের পাশের সিট না হলে আমি যাব না। ১১এ যদি ওই ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের বিমানে ইমার্জেন্সি দরজার পাশেই হয়, আমি সেটাই নেব। যত দাম লাগে দেব।'

ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লায়ার রাজেশ ভাগনানি বলছেন, 'বিশ্বাসের মতো অবস্থা তৈরি হলে অন্তত দরজার পাশেই বসে থাকব। জানি জীবন-মৃত্যু ভাগ্যের হাতে, কিন্তু যেখানে একটু হলেও বাঁচার সম্ভাবনা বেশি, সেখানে বসতে আমার আপত্তি নেই। যাতে ১১এ-ই মেলে, সেটা দেখব।'

ট্র্যাভেল এজেন্ট ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার ন্যাশনাল কমিটির সদস্য অনিল পাঞ্জাবি জানিয়েছেন, 'ইমার্জেন্সি এক্সিটের পাশে বসার জন্য যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ বহু গুণ বেড়েছে। এমনকি কেউ কেউ ১১এ চাইছেন, সেটা দরজার পাশে হোক বা না হোক।' ট্র্যাভেল এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার ইস্টার্ন রিজিয়নের চেয়ারম্যান অঞ্জনি ধানুকা বলছেন, 'সবটাই মানসিক আর বিশ্বাসের ব্যাপার। যাত্রীরা বলছেন, ওটা পেলে অন্তত মনে শান্তি পাব।'

শুধু লন্ডন যাওয়ার বিমান বা দেশীয় ক্ষেত্রে নয়, দুবাই বা সিঙ্গাপুরগামী বিমানে যাত্রীরা আগেভাগেই ১১এ  ‘ব্লক’ করতে চাইছেন। বিশ্বাসের বেঁচে ফেরা যেন অনেকের কাছে নতুন আশার আলো।

তবে বিমান বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন ঘটনা হলে কোনও আসনই ‘বিপদমুক্ত’ নয়। ইমার্জেন্সি এক্সিটের ধারে বসলেও দুর্ঘটনায় জীবন রক্ষা একেবারেই নিশ্চিত নয়। সবটাই নির্ভর করে দুর্ঘটনার ধরন আর ভাগ্যের উপর। তবু মানুষের মনে গেঁথে গিয়েছে ১১এ।

যে যাই বলুক, টিকিট কাটার এখন সকলের মুখে এখন একটাই প্রশ্ন ১১এ খালি আছে? 


```