.webp)
খুব শীঘ্রই জম্মু-কাশ্মীর গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার পাবে।
শেষ আপডেট: 8 June 2024 11:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাফল্যের সঙ্গে লোকসভা নির্বাচনপর্ব শেষ করার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি-বাঁশি বাজিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সচিব জয়দেব লাহিড়ী এক প্রেস বিবৃতিতে বলেছেন, নির্বাচন কমিশন অবিলম্বে কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চল জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা ভোটের জন্য প্রতীক বণ্টনের আবেদনপত্র জমা দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনে কমিশনের সাফল্য ব্যাখ্যায় সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারও বলেছিলেন, খুব শীঘ্রই জম্মু-কাশ্মীর গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার পাবে। নির্বাচন প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হবে।
জম্মু-কাশ্মীরে শেষবার নির্বাচন হয়েছিল ২০১৪ সালে। সেবার পিডিপি নেতা মুফতি মহম্মদ সইদ এবং বিজেপির জোট সরকার ছিল। ২০১৬ সালে মুফতির মৃত্যুর পর তাঁর কন্যা মেহবুবা মুফতি জোট সরকারের নেত্রী নির্বাচিত হন এবং মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। কিন্তু, আকস্মিকভাবে বিজেপি ২০১৯ সালের ১৮ জুন সমর্থন প্রত্যাহার করে নিলে মেহবুবা সরকারের পতন হয়।
দীর্ঘদিন রাষ্ট্রপতির শাসন থাকার পর ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট জম্মু-কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হয়। বিলুপ্ত হয় ৩৭০ ধারা এবং ৩৫ এ। সেই থেকে এখনও পর্যন্ত ভূস্বর্গের সরকার রয়েছে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের হাতে।
নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, ১০বি অনুচ্ছেদে নথিভুক্ত, অস্বীকৃত দলগুলিকে প্রতীক বণ্টন করা হয়। স্বীকৃত এবং জাতীয় দলগুলির ক্ষেত্রে নির্বাচনী প্রতীক সংরক্ষিত আছে। সে কারণে, ভোটে লড়ার জন্য সেগুলি ছাড়া আর কে কোন প্রতীকে লড়াই করতে চায়, তার আবেদন জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছে কমিশন।
সাধারণভাবে কোনও নির্বাচনের ৬ মাস আগে ভোটের প্রতীক বিলির প্রক্রিয়া চালু হয়। সেই হিসেবে নভেম্বরের শেষ অথবা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে ভোট করার ভাবনা থাকতে পারে কমিশনের। কারণ, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের পর থেকেই কাশ্মীরের উঁচু জায়গাগুলিতে বরফ পড়তে পারে।
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে স্বল্পমেয়াদি একটি ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ হতে পারে। কিন্তু, তারও আগে প্রতীকের আবেদন চাওয়াই হল প্রথম পদক্ষেপ।