
তেজস্বী যাদব ও নীতীশ কুমার।
শেষ আপডেট: 4 March 2025 18:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার ও আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের মধ্যে মঙ্গলবার বিধানসভায় উত্তপ্ত কথা কাটাকাটি হল। বর্ষীয়ান প্রাক্তন জনতা দল নেতা নীতীশ (বর্তমানে জেডিইউ প্রধান) তেজস্বীকে বলেন, তোমার বাবাকে (আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদব) রাজনীতিতে আমি তৈরি করেছি।
কথা কাটাকাটির মধ্যে জেডিইউ নেতা নীতীশ বিরোধী দলনেতা তেজস্বীকে বলেন, আগে বিহার কী ছিল? আজ তোমার বাবা যে জায়গায় রয়েছেন, তা আমার জন্য। আমি তাঁকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছি। এমনকী তোমার জাতের লোকেরাও আমাকে বলেছেন, আমি কেন এসব করছি। কিন্তু, আমি এখনও লালুপ্রসাদকে সমর্থন করি।
নীতীশ কুমার রেগেমেগে এই কথা বলেন সভায় তেজস্বী যাদবের মন্তব্যের জবাবে। বিরোধী দলনেতা তেজস্বী মঙ্গলবার ২০০৫ সালের আগে বিহারের পরিস্থিতি নিয়ে নীতীশের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি নীতীশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন, মুখ্যমন্ত্রী সবসময় অভিযোগ খণ্ডন করার জন্য কথা ঘুরিয়ে দেন। এবং অতীতের সরকারে ব্যর্থতাকে তুলে ধরে প্রশাসনিক গাফিলতিকে কাঠগড়ায় তোলেন।
তেজস্বীর কথায়, ২০০৫ সালের আগে কি বিহারে অস্তিত্ব ছিল না? সরকার যা লিখে দেয় রাজ্যপাল শুধু সেই ভাষণই পাঠ করেন। নতুন রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান বিহারের ইতিহাস নাই জানতে পারেন। আমাদের কাছে আগের রাজ্যপালের ভাষণও রয়েছে। আর এই দুটো ভাষণই প্রায় এক। চাকরি বা নিয়োগ নিয়ে সেই একই চর্বিত চর্বণ করা হয়েছে, বলেন লালুপুত্র তেজস্বী।
তিনি আরও বলেন, ২০০৫ সালের আগে নীতীশ কুমারের বয়স ৫৫ হয়ে গিয়েছিল। উনি ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে গিয়েছিলেন এবং কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীও ছিলেন। এই বিধানসভাও ২০০৫ সালের আগে ছিল। লালুজিকে অনেক মানুষই সমস্যায় থাকেন। যদি এই সরকার আরও ৪০ বছর ক্ষমতায় থাকে, তাহলেও ২০০৫ সালের আগের জমানাকে দোষ দিয়ে যাবে।