
সিনিয়র সিটিজেনরা স্বাস্থ্যবিমা
শেষ আপডেট: 22 February 2025 13:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সুস্থ থাকার জন্য ভাল স্বাস্থ্যবিমা থাকা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু বর্তমান সময়ে ক্রমশ বাড়তে থাকা চিকিৎসা খরচের কারণে কম প্রিমিয়ামে ভাল বিমা পাওয়া চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে উঠছে। তবে বিশেষজ্ঞদের (Expert Opinion) মতে, কিছু কৌশল (Tips And Tricks) অনুসরণ করলে সিনিয়র সিটিজেনরা স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়াম (Senior Citizen Health Insurance) কমাতে পারেন।
যত কম বয়সে স্বাস্থ্যবিমা শুরু করা যাবে, তত কম প্রিমিয়ামের সুবিধা পাওয়া যাবে। সাধারণত, কম বয়সীদের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি কম থাকায় বিমা কোম্পানিগুলো তুলনামূলকভাবে কম প্রিমিয়ামে কভারেজ দেয়। তাই ৩৫-৪০ বছর বয়সের মধ্যেই স্বাস্থ্যবিমা কেনার চেষ্টা করা ভাল।
বয়স বেশি হলে পৃথক স্বাস্থ্যবিমা নেওয়ার বদলে ফ্যামিলি ফ্লোটার প্ল্যান নেওয়া বেশি লাভজনক হতে পারে। এতে একাধিক সদস্যকে একসঙ্গে কভারেজ দেওয়া হয়, ফলে খরচ কম হয়। বিশেষ করে যদি পরিবারে তরুণ সদস্যরা থাকেন, তবে তাদের অন্তর্ভুক্ত করলে বিমার মোট প্রিমিয়াম অনেকটাই কমে আসবে।
অনেক বিমা সংস্থা ‘নো-ক্লেম বোনাস’ (NCB) দিয়ে থাকে, অর্থাৎ, যদি নির্দিষ্ট সময়ে কোনও বিমা দাবি করা না হয়, তাহলে পরবর্তী বছরে প্রিমিয়ামের উপর ছাড় পাওয়া যায়। পাশাপাশি, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ওয়েলনেস প্রোগ্রামের সুবিধা নিলে বিমা কোম্পানিগুলো অতিরিক্ত ছাড় দিতে পারে।
সিনিয়র সিটিজেনরা খরচ কমাতে সুপার টপ-আপ প্ল্যান নিতে পারেন। এটি একটি বেসিক স্বাস্থ্যবিমার সঙ্গে যুক্ত করা হলে অতিরিক্ত কভারেজ পাওয়া যায়, কিন্তু খরচ তুলনামূলকভাবে কম হয়। এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (PM-JAY) বা সন্তানদের কর্পোরেট হেলথ পলিসির সঙ্গে এটি যুক্ত করেও ভালো সুবিধা পাওয়া সম্ভব।
স্বাস্থ্যবিমার খরচ কমানোর জন্য এগুলি সহজ এবং কার্যকরী কৌশল। একটু পরিকল্পনা করলেই সিনিয়র সিটিজেনরা নিজেদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারেন কম প্রিমিয়ামে। তবে প্রতিটি মানুষের চাহিদা ও সামর্থ্য পৃথক। তাই কোনও প্ল্যান বেছে নেওয়ার আগে কোনও নিরপেক্ষ ইনসিওরেন্স কনসালট্যান্টের ( Independent Insurance Consultant) পরামর্শ নেওয়া ভাল।