
শুভেন্দু অধিকারী ও অশ্বিনী বৈষ্ণব
শেষ আপডেট: 12 April 2025 14:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ওয়াকফ অশান্তির (Waqf Bill) জেরে তপ্ত মুর্শিদাবাদ (Murshidabad)। পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথরবৃষ্টি, পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগানো থেকে শুরু করে আজিমগঞ্জে রেল অফিসে ভাঙচুর, কিছুই বাদ যায়নি। এই পরিস্থিতিতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি পাঠালেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এনআইএ তদন্ত চেয়ে অশ্বিনী বৈষ্ণবকে (Rail Minister) চিঠি লিখলেন বিরোধী দলনেতা।
শুক্রবার দফায় দফায় অশান্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদ। আজিমগঞ্জে রেললাইনের ধারে গেটম্যানের অফিসও ভাঙচুর করা হয়। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় জেনারেটরে। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাওয়ার রুমও। এমন পরিস্থিতিতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে শুভেন্দু বলেছেন, "ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদে একের পর এক রেল স্টেশনে হামলা হয়েছে। রেল স্টেশনের মতো সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর হচ্ছে। এতে শুধু জরুরি পরিষেবা বিঘ্নিত হচ্ছে যে তাই নয়, বরং মানুষের সুরক্ষা ও জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষেও এমন আচরণ বিপদ্দজনক।"
The recent incidents of vandalism at several Railway Stations situated in the Murshidabad district of West Bengal, perpetrated by the so-called 'protesters' opposing the passage of the Waqf Act are deliberate acts of destruction, targeting critical Public Infrastructure like… pic.twitter.com/vIOv0Bsrre
— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) April 12, 2025
শুক্রবার সংশোধিত ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদে সুতি থানার সাজুর মোড় এলাকায় অবরোধ চলছিল। সেই সময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ তৈরি হয়। অন্যদিকে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে সুতি, ধুলিয়ান এলাকাও। পুলিশের গাড়ি থেকে শুরু করে অ্যাম্বুল্যান্স, পুলিশ কিয়স্কেও ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়।
শনিবার বারবেলায় এ ব্যাপারে প্রথমে সাংবাদিক বৈঠক সারেন রাজ্য পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল রাজীব কুমার। তিনি পষ্টাপষ্টি বলেন, কোনও গুন্ডামি বরদাস্ত করা হবে না। তার পরপরই সমাজ মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বার্তা দেন। বলেন, "সব ধর্মের সকল মানুষের কাছে আমার একান্ত আবেদন, আপনারা দয়া করে শান্ত থাকুন, সংযত থাকুন। ধর্মের নামে কোনও অ-ধার্মিক আচরণ করবেন না। প্রত্যেক মানুষের প্রাণই মূল্যবান, রাজনীতির স্বার্থে দাঙ্গা লাগাবেন না। দাঙ্গা যাঁরা করছেন তাঁরা সমাজের ক্ষতি করছেন।"
যদিও শুভেন্দুর অভিযোগ, "সরকারের মদতপুষ্ট অশান্তি। এই হিংসার আগুন ছড়াতে সরকারি দল উস্কানি ও উৎসাহ দিয়েছে। এখন পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাচ্ছে দেখে শান্তির কথা বলা হচ্ছে।"