দ্য ওয়াল ব্যুরো : কিছুদিন আগে কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধী ও তাঁর পরিবারের সকলের এসপিজি নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছে। গত ২৫ নভেম্বর প্রিয়ঙ্কার বাড়িতে একটি গাড়ি আচমকাই ঢুকে পড়ে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআরপিএফ কর্মীরা গাড়িটিকে থামাননি। কংগ্রেস ওই ঘটনাটিকে 'নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের গলদ' বলে চিহ্নিত করেছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বলেছেন, ঘটনাটি আপতিক। আসলে ওই সময় প্রিয়ঙ্কার বাড়িতে তাঁর দাদা রাহুল গান্ধীর আসার কথা ছিল। নিরাপত্তা রক্ষীরা ভেবেছিলেন, তিনিই এসেছেন। তাই গাড়িটিকে থামাননি।
পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ওই ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনজন নিরাপত্তাকর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এদিন এসপিজি আইন সংশোধন নিয়ে রাজ্যসভায় বিতর্ক হয়। অমিত শাহ বলেন, "একটা সময় আসবে যখন হয়তো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজিও এসপিজি কভার পাবেন না। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তাঁর মেয়াদ ফুরোনর পর পাঁচ বছর পর্যন্ত তিনি এসপিজি কভার পাবেন।"
অমিত শাহ জানিয়ে দেন, এখন কেবলমাত্র প্রধানমন্ত্রী এসপিজি নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন। তাঁর দাবি, গান্ধী পরিবারের নিরাপত্তায় কোনও গলদ নেই। তিনি বলেন, "দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, উপরাষ্ট্রপতি ও রাষ্ট্রপতি যে নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন, গান্ধী পরিবারের সদস্যরাও তাই পান। যে রক্ষীরা একসময় এসপিজিতে ছিলেন, তাঁদেরই গান্ধী পরিবারের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়।"
২৫ নভেম্বর প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর বাড়ির গেট পেরিয়ে যে গাড়িটি ঢুকে পড়েছিল, তার মালিক কংগ্রেস কর্মী সারদা ত্যাগী। গাড়িতে তিনি বাদে ছিলেন আরও তিনজন। তাঁরা বলেন, প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে ছবি তুলতে চান। সেজন্য উত্তরপ্রদেশ থেকে গাড়ি চালিয়ে এতদূর এসেছেন।