
দেব
শেষ আপডেট: 21 April 2025 18:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার শালবনিতে (Salboni) জিন্দল গোষ্ঠীর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের (Jindal Power Plant) শিলান্যাস হয়েছে। সেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঘাটালের সাংসদ দেব (Dev)। তাঁর মনে হয়েছে, এই প্রকল্প আদতে মুখ্যমন্ত্রীর একটি স্বপ্নের বাস্তবায়ন। আশা, এরকম আরও বড় প্রকল্প বাংলায় আগামী দিনে হবে এবং বিরোধীদের সব সমালোচনার উত্তর মিলবে।
শালবনিতে ১৬ হাজার কোটিরও বেশি টাকা খরচ করে ৮০০ মেগা ওয়াট করে দু’টি পাওয়ার প্ল্যান্ট তৈরি করছে জিন্দল গোষ্ঠী। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সজ্জন জিন্দল বলেছেন, রাজ্যের উন্নতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক কাজ করেছেন আর বাংলার উন্নতি হলে দেশেরও উন্নতি হবে। তৃণমূল সাংসদ দেবও এমনটাই মনে করেন। তাঁর বক্তব্য, ''মনে হচ্ছে দিদির স্বপ্ন প্রত্যেক পদে পদে বাংলার মাটিতে বাস্তবে রূপান্তরিত হচ্ছে। তাঁর সবথেকে বড় উদাহরণ - আজকের দিন।''
তৃণমূল কংগ্রেস বিরোধীরা বারবার শিল্প ইস্যু নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে খোঁচা দিয়ে এসেছে। তাঁদের দাবি, তৃণমূল আমলে শুধু বড় বড় কথা বলা হয়, আদতে কোনও শিল্প হয়নি আর ভবিষ্যতেও হবে না। এমনকী বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনকেও নিশানা করা হয়। সোমবার শালবনির অনুষ্ঠান থেকে মমতা কার্যত বিরোধীদের পাল্টা নিশানা করেন। বলেন, ''যাঁরা বলেন বাংলায় শিল্প হয় না, হচ্ছে না, হচ্ছে না, তাঁরা চোখ খুলে দেখে যান।'' দেবও একই সুরে বেঁধেন বিরোধী শিবিরকে।
ঘাটালের সাংসদের কথায়, ''যাঁরা বলছিল বাংলায় কিছু হচ্ছে না, তাঁদের দেখা উচিত। এই প্রকল্পের জন্য বাংলার কত বড় লাভ হতে চলেছে তা দেখতেই হবে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যে ব্যবসা থেকে চাকরি, সবকিছু নিয়ে ভাবছেন তা আজ প্রমাণ হয়ে গেল।'' এর পাশাপাশি দেবের আশা, শুধু জিন্দল নয়, ভবিষ্যতে আরও অনেক বড় শিল্পপতি আসবেন বাংলায়, আরও বিরাট প্রকল্প হবে বাংলার মাটিতে। আর তার জন্য সরকারের তরফে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে।
শালবনির তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের শিলান্যাস তো হল, আগামী দিনে শিল্পের ক্ষেত্রে বাংলা আরও কতটা উন্নতি করতে চলেছে তার একটা হিসেবও দেন মুখ্যমন্ত্রী। জানান, রাজ্যে ৬টি ইকোনমিক করিডোর তৈরি হয়েছে। ডেউচা-পাঁচামিতে বিশাল কোল ব্লক তৈরি হচ্ছে। সেখানে ১ লক্ষ কর্মসংস্থান হবে। অন্যদিকে আগামী ৩০ তারিখ দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন হবে। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে পাঁচটি বড় কোম্পানি বিনিয়োগ করবে। ফলে আগামী কয়েক বছরে প্রচুর মানুষ কাজ পেতে চলেছেন বলে আশ্বাস দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।