
হুমায়ুন কবীর।
শেষ আপডেট: 27 November 2024 14:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে শোকজ করল তৃণমূল। দলের বিধানসভার শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির তরফে বুধবারই শোকজ করা হয়েছে হুমায়ুনকে। দল বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ এনে তিনদিনের মধ্যে জবাবদিহি করতে বলা হয়েছে।
দলের একাংশ নেতার বিরুদ্ধে আলপটকা মন্তব্য করার অভিযোগ উঠছিল। এই তালিকায় প্রথমেই নাম ছিল হুমায়ুনের। সেদিক থেকে হুমায়ুনকে তৃণমূলের শো-কজ করার ঘটনা প্রত্যাশিত ছিল বলেই মনে করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে দ্য ওয়ালকে হুমায়ুন বলেন, "দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির অধিকার রয়েছে, আমাকে সাসপেন্ড করার। চিঠি এলে আমি যথাযথ সময়ে এর উত্তর দিয়ে দেব।"
বস্তুত, এ ব্যাপারে লাগাম টানতে সোমবার তিনটি শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি গড়ে দেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্দেশ অমান্য করলে যে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে সেটাও সোমবারই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। চন্দ্রিমা এও বলেন, এখন থেকে কাউকে তিনবার শোকজ করা হবে। না শুধরালে এরপর সংশ্লিষ্ট নেতাকে দল সাসপেন্ড করবে।
তাৎপর্যপূর্ণভাবে, এরপরও মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদের ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে দেখা গেছে নিজস্ব মেজাজে। দলের একাংশ নেতৃত্বর বিরুদ্ধে মিডিয়ার সামনে মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। হুমায়ুন এও বলেছেন, "অন্যায় হলে আমাকে তো বলতেই হবে। আমি কাউকে ভয় ডর করি না।" এমনকী মমতার ঘনিষ্ঠরা দলনেত্রীর ভাল চান না বলেও প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন তিনি। ফিরহাদ হাকিম, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়দের নামোল্লেখ করে হুমায়ুন এও বলেন, "প্রভাবশালীরা আমাকে মার্ডার করে ফেলতে পারে।"
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারও হুমায়ুন জানিয়েছিলেন, তিনি প্রকাশ্যে মন্তব্য করে কোনও শৃঙ্খলাভাঙছেন বলে মনে করেন না। এদিন দল তাঁকে শো-কজ করার পর দ্য ওয়ালের তরফে ফের এ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে হুমায়ুনের বক্তব্য, "আমি শৃঙ্খলা ভেঙেছি কিনা, চিঠি পেলে তখন জানাব। এখনই অত ব্যাখ্যার প্রয়োজন আছে বলে মনি করি না।"