'আমি সবার কাছে ক্ষমা চাইছি', চিঠিতে জানালেন থাই কোচ
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিছক কৌতুহলের বশেই দিন পনেরো আগে ১২ জন খুদে ফুটবলারকে নিয়ে ওই গুহায় ঢুকেছিলেন তরুণ কোচ এক্কাপল চানতাওয়াং। হঠাৎ গুহার ভেতরে জল ঢুকে পড়ায় আটকে পড়ে তারা। এতদিন পরে এক নেভি অফিসারের মাধ্যমে ফুটবলারদের বাবা-মায়ের কাছে ক্ষমা চাইল
শেষ আপডেট: 7 July 2018 08:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিছক কৌতুহলের বশেই দিন পনেরো আগে ১২ জন খুদে ফুটবলারকে নিয়ে ওই গুহায় ঢুকেছিলেন তরুণ কোচ এক্কাপল চানতাওয়াং। হঠাৎ গুহার ভেতরে জল ঢুকে পড়ায় আটকে পড়ে তারা। এতদিন পরে এক নেভি অফিসারের মাধ্যমে ফুটবলারদের বাবা-মায়ের কাছে ক্ষমা চাইলেন কোচ এক্কাপল।
২৩ জুন ১২ জন নাবালক ফুটবলারকে নিয়ে ওই গুহার মধ্যে ঢুকে প্রায় চার কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছিলেন এক্কাপল। প্রথম কয়েকদিন তো কোনও খোঁজই পাওয়া যায়নি তাদের। তারপর গুহার বাইরে ব্যাগ, জুতো পড়ে থাকতে দেখে থাই সেনা খোঁজ পায় ‘ওয়াইল্ড বোরস’ দলের ওই সদস্যদের। তারপর থেকেই তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। কিন্তু প্রতিকূল পরিস্থিতির ফলে উদ্ধারকাজে সমস্যা হচ্ছে। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে আমেরিকা ও চীন।
সম্প্রতি থাই নেভির এক অফিসারের মাধ্যমে একটি চিঠি পাঠান কোচ এক্কাপল। সেই চিঠি থাই নেভি সিলের ফেসবুক পেজে

আপলোড করা হয়। চিঠিতে এক্কাপল লিখেছেন, “সব বাবা-মায়েদের বলছি, বাচ্চারা সবাই ভালো আছে। আমি কথা দিচ্ছি ছেলেদের যাতে কোনও কষ্ট না হয় সেদিকে আমি নজর রাখব। সবার সাহায্যের জন্য ধন্যবাদ। আমি সবার কাছে ক্ষমা চাইছি।” এ ছাড়াও তিনি নিজের ঠাকুমা ও কাকিমার উদ্দেশে লিখেছেন, “ঠাকুমা ও কাকিমা, আমি ভালো আছি। আমার জন্য চিন্তা কোরো না। নিজেদের খেয়াল রেখো।”
এই ঘটনা সামনে আসার পর অনেকেই এক্কাপলের মানসিক দৃঢ়তার প্রশংসা করেছেন। এই ভয়ঙ্কর বিপদের মধ্যেও নিজের খাবার বাচ্চাদের খাইয়ে তাদের খেয়াল তিনি রেখেছেন তা তাঁর ঠাণ্ডা মাথার পরিচয় দেয়। কিন্তু কেউ আবার এক্কাপলের বোকামির নিন্দাও করেছেন। তাঁদের মতে, বৃষ্টির এই মরশুমে এক্কাপলের কখনও উচিত হয়নি বাচ্চাদের কথায় রাজি হয়ে গুহায় ঢুকতে। সেই সময় তিনি একটু বুদ্ধি খরচ করতে পারলে আজ এই সমস্যার মধ্যে পড়তে হতো না তাদের।