
শেষ আপডেট: 3 April 2022 17:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো : শুভেন্দু অধিকারী ও বাবুল সুপ্রিয়র (Suvendu Babul) একই দিনে জন্ম। সাল ও তারিখ দুটোই এক। ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭০। একসময়ে গলায় গলায় বন্ধু ছিলেন। তারপর যে কী হল…।
শনিবার বালিগঞ্জে প্রচারে বেরিয়েছিলেন বাবুল। সেখানে উপনির্বাচনে ঘাসফুলের প্রার্থী তিনি। একথা সেকথায় সাংবাদিকদের তিনি বললেন, ‘বিজেপির অবস্থা হাস্যকর। আর লোক খুঁজে পেল না, তৃণমূল থেকে আসা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Babul) বিরোধী দলনেতা করতে হয়েছে।’
রাজনীতি বড়ই বিচিত্র। বিধানসভা ভোটে বিজেপি ধরাশায়ী হয়েছে। অস্বস্তিতে মুখ লুকনোর জায়গা নেই। টালিগঞ্জে হারলেও তখনও কেন্দ্রের মন্ত্রী বাবুল (Suvendu Babul)। সূত্রের খবর, সেসময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করে বাবুল সুপ্রিয় বলেছিলেন, বাংলায় বিজেপিকে যদি বাঁচাতে হয় তাহলে দলের রাজ্য সভাপতি ও বিরোধী দলনেতা দু’টি দায়িত্বই শুভেন্দুকে (Suvendu Babul) দেওয়া উচিত। আর বিকল্প নেই। দিলীপ ঘোষ ও তাঁর সহযোগীদের উপর ততদিনে বাবুল যে আস্থা হারিয়েছেন সেটা আর গোপন ছিল না।
সেই বাবুল আর আজকের বাবুল। কতটা দূরত্ব?
অনেকের মতে, আসলে রাজনীতিতে এভাবে দূরত্ব মাপা যায় না। রাজনীতি হল সম্ভাবনার খেলা। সেখানে সব সম্ভব। আর বাংলায় যে কত রকম হতে পারে তা গত দু’বছরে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। আজ যে জোড়াফুল, কাল সে পদ্ম। আজ যে লালসালু, কাল সে গেরুয়া। আজ যে গেরুয়া, কাল সে সবুজ। এই যেমন বাবুল হয়েছেন। বা শুভেন্দুও।
বাবুলের এই মন্তব্য নিয়ে রাজ্য বিজেপির বিধায়ক বঙ্কিম ঘোষ বলেন, “তৃণমূলের দশা আরও হাস্যকর। ২১৩ পার করার পরেও বিজেপি ছেড়ে আসা নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভা থেকে ছেঁটে দেওয়া নেতাকেও মালা পরিয়ে দলে নিতে হচ্ছে, প্রার্থীও করতে হচ্ছে। বালিগঞ্জে কি আর লোক ছিল না?"
আরও পড়ুন : Jhalda Murder: নিহত কংগ্রেস কাউন্সিলরের দাদা গ্রেফতার, সকাল থেকেই জেরা করছিল পুলিশ