
শেষ আপডেট: 9 November 2022 06:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পরনে টি-শার্ট আর শর্টস। মাথায় টুপি, সানগ্লাস চোখে খালি পায়ে গোয়ার সৈকতে দেখা গেল মাস্টার ব্লাস্টারকে। হঠাৎ করে সমুদ্রের ধারে তিনি করছেনটা কী? উত্তর খুব সোজা। মাছ ধরার কৌশল শিখছেন তিনি, তাও সরাসরি জেলেদের থেকে। আর সেই অভিজ্ঞতা নাকি 'অবিশ্বাস্য!'
মঙ্গলবার প্রবাদপ্রতিম ক্রিকেটার (Cricket) শচীন তেন্ডুলকর (Sachin Tendulkar) নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে শেয়ার করেছেন একটি ভিডিও। মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে গেছে তা। গোয়ার বেনৌলিম সৈকতে এদিন সকালে দেখা গেছে শচীনকে। গোয়ার (Goa) স্থানীয় মৎস্যজীবীদের (fishermen) থেকে মাছ করার কৌশল শিখছিলেন, নিজেই জানিয়েছেন ক্রিকেট মায়েস্ত্রো। গোয়ার ঐতিহ্যবাহী 'র্যাম্পন'-এর সাহায্যে কীভাবে তাঁরা মাছ ধরেন, সেটাই বোঝার চেষ্টা করছিলেন লিটল মাস্টার। ভিডিওতে অল্প সময়ের জন্য দেখা মিলেছে শচীন-পুত্র অর্জুন তেন্ডুলকরেরও।
ভিডিওর ক্যাপশনে শচীন লিখেছেন, 'গোয়ার মৎস্যজীবীদের সঙ্গে কাটানো একটা দুর্দান্ত আকর্ষণীয় সকাল।' মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই ভিডিও দেখে পছন্দ করেছেন প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ মানুষ। তাঁর মতো একজন তারকার সাধারণ মৎস্যজীবীদের সঙ্গে এভাবে নিঃসঙ্কোচে মেলামেশার ভিডিও দারুণ পছন্দ হয়েছে নেটিজেনদের। পোস্টের কমেন্ট সেকশন প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন তাঁরা।
একজন লিখেছনে, 'শচীন স্যার, আপনাকে খুব ভালবাসি। আমার কাছে সারা পৃথিবীর মধ্যে আপনিই সবচেয়ে পছন্দের ক্রীড়াবিদ।' অন্য এক নেটিজেনের মন্তব্য, 'প্রবাদপ্রতিম ক্রীড়াবিদ, কিন্তু কী ভীষণ মাটির কাছাকাছি থাকেন! সকলের কাছেই এটা অনুপ্রেরণা।'
অন্য একজনের দাবি, 'আপনার হৃদয় সমুদ্রের মতোই বড়। কত বিনয়ী একজন মানুষ। আপনি সবসময়ই যেমন বলে থাকেন, সাফল্যের জন্য কোনও শর্টকাট খুঁজো না, আমি আমার জীবনে সবসময় তা অনুসরণ করব।'
প্রসঙ্গত, এর আগেই আর এক প্রবাদপ্রতিম ক্রীড়াবিদ, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন ব্যাটার এবি ডেভিলিয়ার্সের সঙ্গে সময় কাটানোর কিছু মুহূর্ত নেটিজেনদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলেন শচীন। তিনি জানিয়েছিলেন, ডেভিলিয়ার্সের মতো একজন ক্রীড়াবিদ তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, যা তাঁর কাছে অত্যন্ত সম্মানের বিষয়। তাঁর বোলিং নিয়েও যে দুজনের মধ্যে কথা হয়েছিল, সে কথাও জানিয়েছিলেন শচীন। সেই ছবিও ভাইরাল হয়েছিল মুহূর্তে। দুই কিংবদন্তিকে এক ফ্রেমে দেখতে পেয়ে উচ্ছসিত ভক্তরা।
‘নেপালের জমিতে গরু জবাই করে আবদুল’, বাংলাদেশের প্রশ্নপত্রে সাম্প্রদায়িক ইঙ্গিত