
গ্রাফিক্স। শুভ্র শর্ভিন।
শেষ আপডেট: 18 January 2025 15:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি করে ডাক্তারি ছাত্রীকে ধর্ষণ খুনের মামলায় অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করল শিয়ালদহ আদালত।
ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৪, ৬৬ এবং ১০৩ এর ৩ উপধারায় সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৪ ধারায় ধর্ষণ, ৬৬ ধাারায় ধর্ষণের সময় এমন আঘাত করা, যার জেরে মৃত্যু হতে পারে এবং ১০৩ এর ধারায় খুনের মামলা আনা হয়েছে। যার অর্থ সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদন্ড এবং সর্বনিম্ন সাজা যাবজ্জীবন কারাদন্ড।
আগামী সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ সাজা ঘোষণা করবে আদালত। যদিও এদিনও সঞ্জয় রায় নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছে। তবে বিচারক জানিয়ে দেন, সব কিছু তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতেই তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। সঞ্জয়ের কিছু বলার থাকলে তিনি সোমবার বলতে পারেন।
গত বছরের ৯ অগস্ট। কলকাতার আরজি কর হাসপাতালের (RG Kar Rape and Murder Case) নারকীয় ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছিল। ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছিল হাসপাতালেরই তরুণী চিকিৎসককে।
গত ১১ নভেম্বর শিয়ালদহ আদালতে শুরু হয় এই মামলার বিচার প্রক্রিয়া। অবশেষে ঘটনার ৫ মাস ৯ দিন পর শনিবার সেই মামলায় রায় ঘোষণা করল শিয়ালদহ আদালত।
নির্যাতিতার বাবা-মা অবশ্য সিবিআই তদন্তে খুব একটা খুশি হতে পারেননি। তাঁরা দাবি করে এসেছেন যে, এই ঘটনা সঞ্জয় রায়ের একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে। সিবিআই মূল দোষীদের আড়াল করছে বলেও সন্দেহ করেছেন তাঁরা।
এবিষয়ে পুনরায় তদন্ত চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থও হয়েছে পরিবার। শুধু পরিবার নয়, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে প্রতিবাদী জুনিয়র ডাক্তার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের একাংশও। তাঁদের বক্তব্য, সঞ্জয় একা নন, এ ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি জড়িত।
ঘটনার দিন অর্থাৎ ৯ অগস্ট হাসপাতালের তরফে কেন প্রথমে ধর্ষণ হত্যাকে আত্মহত্যা বলে চালানো হয়েছিল, কেনই বা দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত না করে তড়িঘড়ি দেহ দাহ করানো হল, বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের কথা বলেও কেন শুধু সঞ্জয়কে অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হল? এমনই কুড়িটি প্রশ্ন সামনে এনেছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।