
শেষ আপডেট: 25 December 2023 17:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি পদে দায়িত্ব নেওয়ার পরেই গৌতম পাল ঘোষণা করেছিলেন, প্রতি বছর টেট নেওয়া হবে। ২০২২ সালের মতো ২০২৩ সালের টেট হয়ে গেল রবিবার। আগের বারের থেকে পরীক্ষার্থী সংখ্যা কমেছে, তবে একবছরে আবেদনমূল্য একধাক্কায় অনেকটাই বেড়েছে! যা নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। এবার এই টাকা বাড়ার ব্যাপারে যুক্তি দিল পর্ষদ।
২০১৭ সালের পর থেকে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। প্রাথমিক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে সরগরম গোটা রাজ্য। হাইকোর্টে চলছে একাধিক মামলা। তারপর ৫ বছর পর ২০২২ সালে টেট নেওয়া হয়। সেবার জেনারেল ক্যাটাগরির আবেদনমূল্য ১৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫০ করা হয়েছিল। এবার সেই টাকা এক ধাক্কায় বাড়িয়ে ৫০০ করা হয়েছে!
এত টাকা কেন বাড়ানো হল? পর্ষদ সূত্রে খবর, পরীক্ষার খরচ অনেকটাই বেড়ে গেছে। সেই টাকা জোগানের জন্যই আবেদন ফি বাড়ানো হয়েছে। পরীক্ষায় স্বচ্ছতা আনতে বাড়ানো হয়েছে পরীক্ষাকেন্দ্রে নিরাপত্তাও। নজরদারিতে কোনও খামতি রাখতে চায়নি পর্ষদ। সেইসব দিকের খরচ বিচার করেই আবেদন ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এবারের প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হয়েছিল। খোলা হয়েছিল কন্ট্রোল রুমও। পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার আগেও প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে ভালভাবে চেক করা হয়। কোনওরকম ইলেকট্রনিক্স জিনিস নিয়ে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।
২০২২ সালের টেটের নিয়োগ এখনও হয়নি, তারমধ্যেই ২০২৩ সালে টেট নেওয়া হল। যা নিয়ে যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা প্রশ্ন তুলেছেন। ২৫ ডিসেম্বর, বড়দিনেও অবস্থান বিক্ষোভে বসেন ২০১৪ প্রাইমারি নন ইনক্লুডেড টেট চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের কথায়, বছর বছর টেট নেওয়া রাজ্য ব্যবসায় পরিণত করেছে।