শেষ আপডেট: 8 February 2020 13:51
ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক সুদীপ্ত ঘোষের দাবি, “প্রতিদিন এরকম ঘটনা ঘটে না, আগামী দিনেও আর ঘটবে না। স্কুলের মধ্যে মিড-ডে মিল খাওয়ার ঘর রয়েছে কিন্তু আজ মেঘলা আবহাওয়া থাকায় কয়েকজন ছেলে মিড-ডে মিলে রান্না করা খিচুড়ি স্কুলের পিছন দিকে ভাঙা পাঁচিল পেরিয়ে নিয়ে গিয়ে রাস্তায় বসে খেয়েছে।”
স্কুলে মিড-মে মিল খাওয়ার পাকা ঘর রয়েছে, সেখানে সমস্যা হলে স্কুলের ভিতরে বড় মাঠ রয়েছে। তারপরেও কেন স্কুল থেকে বাইরে বার হতে হল? এব্যাপারে ছাত্ররা কোনও কথা বলতে চায়নি। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেল ঘটনার কথা।
স্কুলে একটি খাবার ঘর আছে ঠিকই কিন্তু সেই ঘর এতটাই অপরিচ্ছন্ন যে সেখানে বসে খেতেই চায় না ছাত্ররা। তা ছাড়া ঘরটি বেশ স্যাঁচস্যাঁতে। একদল ছাত্র খেয়ে উঠে যাওয়ার পরে ঘর আরও নোংরা হয়ে যায়। যদি ঘর মোছা হয় তাহলে সেটি শুকতে চায় না তাই দ্বিতীয় দল বসতে পারে না ভিজে মেঝেয়। মাঠে বসে খেলে আপত্তি করেন শিক্ষকরা কারণ মাঠ অপরিষ্কার হয়ে যেতে পারে। এজন্যই তারা স্কুল লাগোয়া রাস্তায় গিয়ে মিড-ডে মিল খায়।
রাস্তায় বসে খেলে কী বিপদ ঘটতে পারে আ হয়তো ছাত্ররা বোঝে না কিন্তু শিক্ষকরা কেন এতদিন বাধা দেননি তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।