
শেষ আপডেট: 19 June 2020 08:00
তবে সেতু দিয়ে যাতায়াত শুরু হলেও সেতুর সাথে সংযোগকারী রাস্তা কিন্তু কাঁচাই থেকে যায়। শুকনো সময়ে তেমন অসুবিধায় পড়েননি এলাকার মানুষ। কাঁচা রাস্তা দিয়ে হেঁটে এসেই সেতুতে উঠেছেন তাঁরা। কিন্তু বর্ষা শুরু হতেই বদলে গেছে ছবিটা। জল কাদায় এখন আর ৩০০ মিটারের কাঁচা রাস্তাকে রাস্তা হিসেবে চেনাই যাচ্ছে না। প্রতিদিনই ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। এই রাস্তা পার হয়ে এসে ব্রিজে ওঠাই দুস্কর হয়ে উঠেছে। আর এই অবস্থায় সিংহভাগ মানুষই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফুলহার নদীতে নৌকা পারাপার করাটাই নিরাপদ মনে করছেন। ঝাঁ-চকচকে সেতুর নীচ দিয়ে ভরা বাদলের দামাল ফুলহার পেরিয়েই চলছে যাতায়াত।
এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, ‘‘রাজ্য সরকার এতো টাকা খরচ করে ব্রিজ করেছে। অথচ সামান্য ৩০০ মিটার রাস্তার বেহাল দশা। বৃষ্টি নামতেই খানাখন্দ-জলকাদায় রাস্তা হারিয়ে গেছে। সেতু পর্যন্ততো পৌঁছতেই পারছি না আমরা। তাই আগে যেমন যেতাম, তেমনই নৌকাতে করেই নদী পার হচ্ছি।’’ তাঁদের আরও অভিযোগ, পঞ্চায়েত থেকে ব্লক প্রশাসন সব দেখেও চুপ ।
মানুষের এই দুর্ভোগের কথা জানতে পেরেই এলাকায় পৌঁছে যান মানিকচকের কংগ্রেস বিধায়ক মোত্তাকিন আলম। তিনি বলেন, ‘‘রাজ্য সরকারের উদাসীনতাতেই ভুতনির প্রায় লক্ষাধিক মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এই রাস্তা দ্রুত মেরামত না হলে ব্লক অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ কর্মসূচি নেওয়া হবে।’’
মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌরচন্দ্র মণ্ডল বলেন, ‘‘ভুতনির মানুষের কথা ভেবে তাঁদের যোগাযোগের জন্য পাকা সেতু তৈরি করে দিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী। ব্রিজ সংলগ্ন রাস্তাটি বর্ষাতে খারাপ হয়েছে। প্রশাসনের তরফে পরিদর্শন করে ইতিমধ্যেই গ্রাম পঞ্চায়েতকে রাস্তা মেরামতি করার জন্য জানানো হয়েছে। বাংলার সড়ক যোজনা ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের উদ্যোগে ভুতনিতে প্রায় ৪০ কিলোমিটার পাকা রাস্তার কাজ চলছে। এতো উন্নয়ন দেখেও বিরোধীরা রাজনীতি করার সুযোগ পেয়ে এলাকায় গিয়ে নোংরা রাজনীতি করছে।’’