দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: জাতীয় সড়ক সংকীর্ণ হচ্ছে। চার পাঁচ ফুট রাস্তা ঢেকেছে ধুলো বালিতে। গলসিতে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের পথ যেন মৃত্যু ফাঁদ।
২ নম্বর জাতীয় সড়কের গলসিতে চার পাঁচ ফুট রাস্তা ঢেকেছে ধুলো বালিতে। প্রতিদিনই সংকীর্ণ হচ্ছে জাতীয় সড়ক। গলসিতে জাতীয় সড়কের সাদা দাগের উপরে আস্তরণ পড়েছে কয়েক ইঞ্চি মোটা বালি আর ধুলোর। এর জেরে বিপাকে পড়ছেন এলাকার সাধারণ মানুষজন। প্রায় প্রতিদিনই ছোট বড় দুর্ঘটনা লেগেই আছে।
স্থানীয় মানুষজনের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় সড়কের বুদবুদ থেকে কুলগড়িয়া পর্যন্ত আনুমানিক ২৫ কিলোমিটার মিটার রাস্তার পিচের উপরে ধুলো বালির আস্তরণ পড়েছে। পরিষ্কার না করায় কয়েক ইঞ্চি বালির মোটা আস্তরণ পরে গিয়েছে। প্রতিদিনই সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিক, ইঞ্জিনিয়ার ও কর্মীরা ওই পথে যাতায়াত করলেও রাস্তা পরিষ্কারের কোনও উদ্যোগ নেই তাদের। এর ফলে জাতীয় সড়কে মোটর সাইকেল, সাইকেল নিয়ে যাতায়াতকারী এলাকার সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।
ছোটখাট দুর্ঘটনা ঘটছে। হচ্ছে প্রাণহানিও। তবুও প্রশাসন নিষ্ক্রিয় বলে অভিযোগ। বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে মোটরসাইকেলের চাকা বালিতে পিছলে গিয়ে দুর্ঘটনা হয়েছে। তাছাড়াও রাস্তার উপরে ধুলো বালি চলে আসায় জাতীয় সড়কের দৈর্ঘ্য চার পাঁচ ফুট কমে গেছে। তাই সাদা দাগ পার করে রাস্তার মাঝখান দিয়ে মোটরবাইক চালাতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে বলে দাবি বাইকচালকদের। স্থানীয় বাসিন্দা সেখ পল্টু বলেন, ‘‘এইভাবে কয়েকজন পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন। এলাকার বাসিন্দা অধীর ঘোষ বলেন, ‘‘আগে জাতীয় সড়কের দু'পাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হতো হাইওয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। তবে বর্তমানে তা একেবারেই বন্ধ করে দিয়েছে। যার জন্যই রাস্তার ওপড়ে বেশ কয়েক ইঞ্চি মোটা ধুলো বালি স্তর জমে গেছে।’’ তাঁদের দাবি, রাস্তার বালি দ্রুত পরিষ্কার করুক জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ।
এই বিষয়ে জাতীয় সড়কের বাস্তুকার সৌভিক সাঁতরা বলেন, ‘‘রাস্তায় পড়ে থাকা বালি পরিষ্কারের কাজ চলছে। মেশিন দিয়ে বালি তোলা হচ্ছে। ৬৫ কিলোমিটার রাস্তা। তাই সময় লাগছে।’’