Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটো

জ্বর ও শ্বাসকষ্টের উপসর্গে মহিলার মৃত্যুর পরেই করোনা আতঙ্ক বর্ধমান মেডিক্যালে, নমুনা গেল নাইসেডে

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: জ্বর ও শ্বাসকষ্টের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া এক মহিলার মৃত্যু ঘিরে করোনা আতঙ্ক দেখা দিল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মৃতার লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য কলকাতার নাইসেডে পাঠানো হয়েছে। সেখান থে

জ্বর ও শ্বাসকষ্টের উপসর্গে মহিলার মৃত্যুর পরেই করোনা আতঙ্ক বর্ধমান মেডিক্যালে, নমুনা গেল নাইসেডে

শেষ আপডেট: 18 April 2020 14:51

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: জ্বর ও শ্বাসকষ্টের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া এক মহিলার মৃত্যু ঘিরে করোনা আতঙ্ক দেখা দিল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মৃতার লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য কলকাতার নাইসেডে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে রিপোর্ট মেলার পরেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। আপাতত বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে তাঁর দেহ। তবে, প্রাথমিকভাবে ওই মহিলা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, এমন কোনও লক্ষণ মেলেনি বলেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শক্তিগড় থানার হীরাগাছিতে বাড়ি বছর সাতচল্লিশের ওই মহিলার। গত শনিবার তাঁর জ্বর আসে। তার সঙ্গে কাশির উপসর্গও দেখা দেয়। জ্বর না কমায় শহরের খোসবাগান এলাকার একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয় তাঁকে। নার্সিংহোমের চিকিৎসায় কিছুটা সুস্থ হন তিনি। বৃহস্পতিবার তাঁকে নার্সিংহোম থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই মহিলার পরিবারের লোকজন জানান, বাড়ি ফিরে ফের সন্ধেবেলা ফের তাঁর জ্বর আসে। চিকিৎসক তাঁকে ওষুধ দেন। ওষুধ খাওয়ার পর জ্বর কিছুটা কমে। কিন্তু রাত থেকেই আবার জ্বর আসে। কাশিও বাড়ে। শুরু হয় বমি। শুক্রবার সকালে পরিবারের লোকজন তাঁকে ফের নার্সিংহোমে নিয়ে আসেন। সন্ধে থেকে তাঁর প্রবল শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এরপরেই নার্সিংহোম থেকে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। শনিবার সকালে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখান থেকে তাঁকে আইসোলেশনের জন্য নির্দেষ্ট বামবটতলার বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার মধ্যেই মারা যান তিনি। হাসপাতালের ডেপুটি সুপার ডাঃ কুণালকান্তি দে বলেন, ‘‘ওই মহিলার লালারসের নমুনা পরীক্ষার জন্য নাইসেডে পাঠানো হয়েছে। তবে, প্রাথমিকভাবে মহিলার দেহে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কোনও লক্ষণ মেলেনি। নাইসেড থেকে রিপোর্ট মেলার পরেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।’’

```