দ্য ওয়াল ব্যুরো: উনিশ সালে লোকসভা ভোটে উত্তরবঙ্গে একটিও আসনেও জেতেনি তৃণমূল। গৌতম দেবের মতো মন্ত্রীর আসনে প্রায় নব্বই হাজার ভোটে পিছিয়ে ছিল শাসক দল।
একুশ সালে বিধানসভা ভোটে উত্তরবঙ্গ তৃণমূলের কাছে তাই চ্যালেঞ্জ বইকি। সম্প্রতি উত্তরবঙ্গে প্রশাসনিক সভা ও কর্মিসভার জন্য এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সেখানে পৌঁছোলেন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
তৃণমূল সূত্রের মতে, শিলিগুড়ি ও লাগোয়া এলাকায় বেশকিছু কর্মসূচি রয়েছে অভিষেকের। তৃণমূলের পূর্ণাঙ্গ দার্জিলিং জেলা কমিটি গঠনও করা হতে পারে তাঁর সফরকালে। তা ছাড়া শিলিগুড়িতে বসে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার দুই বিবদমান শিবিরের সঙ্গে তিনি বৈঠক করতে পারেন বলেও খবর।
রবিবারই পাহাড় থেকে নেমে এসেছেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতা বিমল গুরুং। সোমবার নকশালবাড়ির দুধ গেট এলাকায় দলীয় কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেছেন তিনি। গুরুং সমতলে নেমে আসায় অভিষেকের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে। যদিও গুরুংয়ের বক্তব্য, “ওঁর আলাদা কর্মসূচি রয়েছে। আমাদের সঙ্গে বৈঠকের কোনও প্ল্যান নেই”। একই বক্তব্য তৃণমূলেরও।
এদিন বিমানবন্দরে নেমে একটি বেসরকারি হোটেলে যান অভিষেক। তারপরে যান উত্তরকন্যায়। সেখানে শুরু হয় পরপর বৈঠক।
শুধু তৃণমূল নয়, একুশকে সামনে রেখে পাহাড়-সমতলে এবার লড়াই দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া বিমল গুরুংয়েরও। সোমবার খড়িবাড়িতে তিনি বলেন,“এখন আর বিজেপি নয়, আমাদের জোটসঙ্গী হল তৃণমূল। এখানে ১২ থেকে ১৫ টা আসনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেতাব বলে কথা দিয়েছি। এটা আমাদের করতেই হবে”।