দ্য ওয়াল ব্যুরো: ট্রেন পরিষেবা চালু হওয়ার খবর পেতেই তৎপরতা শুরু হয়ে গেল হাওড়া স্টেশনে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পরে মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটা পাঁচে প্রথম ট্রেন হাওড়া থেকে নয়াদিল্লির উদ্দেশে রওনা হবে। এই ট্রেন ধরতে হলে প্রত্যেক যাত্রীকে নির্দিষ্ট সময়ের অন্তত দেড় ঘণ্টা আগে স্টেশনে পৌঁছতে হবে বলে রেলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ট্রেনে যাত্রীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা থাকবে বলে রেল সূত্রে জানা গেছে।
এদিন আরপিএফের সিনিয়র কমান্ডান্ট রজনীশ ত্রিপাঠী বলেন, “যাঁরা দিল্লিতে যাবেন তাঁদের কমপক্ষে দেড় ঘণ্টা আগে পৌঁছতে হবে স্টেশনে। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে ‘ফিট’ মনে করলে তবেই সংশ্লিষ্ট যাত্রীকে ট্রেনে উঠতে দেওয়া হবে। প্রত্যেকের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।” প্রত্যেক যাত্রী নিয়ম মানছেন কিনা সেদিকে জোর নজরদারি চালানো হবে। আগামী ১২ মে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হতে চলেছে।
দক্ষিণ ভারতের ভেলোর থেকে যাত্রী নিয়ে ইতিমধ্যেই এরাজ্যের দিকে ট্রেন রওনা হয়েছে। এ জন্য হাওড়া স্টেশনে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে রেল। তৈরি করা হচ্ছে হেলথ ক্যাম্প। সমস্ত ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে সোমবার হাওড়া স্টেশনে আসেন রেলের আইজি অম্বিকানাথ মিশ্র এবং আরপিএফের সিনিয়র কমান্ডান্ট রজনীশ ত্রিপাঠী।
হাওড়া স্টেশনের পুরনো কমপ্লেক্স ও নতুন কমপ্লেক্স – দু’জায়গাতেই হেলথ ক্যাম্প করা হচ্ছে। তবে ক’টি ক্যাম্প করা হচ্ছে সে ব্যাপারে এখনও জানানো হয়নি।
যে সব ট্রেন হাওড়ায় আসবে সেই সব ট্রেনের যাত্রীদের থার্মাল স্ক্রিনিং করা হবে এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। তারপরে তাঁদের তুলে দেওয়া হবে নির্দিষ্ট গাড়িতে। বিভিন্ন জেলার জন্য আলাদা গাড়ি বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। এই সব গাড়ি অপেক্ষা করবে হাওড়া স্টেশনের বাইরে। স্টেশনে বাইরের কোনও গাড়ি ঢোকার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।