রাম কার্ড দেখিয়ে মমতাকে ‘জয় শ্রীরাম’ খোঁচা মোদীর, ভিক্টোরিয়ার জবাব হলদিয়ায়
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যে কথায় মানুষ বেশি চটে যায়, সে কথা নিয়ে তাঁকে ততই রাগানোর চেষ্টা করে প্রতিপক্ষ।
সমাজ জীবনের এই ধারা থেকে রাজনীতিও ভিন্ন নয়। কে না জানে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জয় শ্রীরাম স্লোগান শুনলেই প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ফেলেন। ভাটপাড়া থে
শেষ আপডেট: 8 February 2021 10:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যে কথায় মানুষ বেশি চটে যায়, সে কথা নিয়ে তাঁকে ততই রাগানোর চেষ্টা করে প্রতিপক্ষ।
সমাজ জীবনের এই ধারা থেকে রাজনীতিও ভিন্ন নয়। কে না জানে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জয় শ্রীরাম স্লোগান শুনলেই প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ফেলেন। ভাটপাড়া থেকে ভিক্টোরিয়ায় এর ধারাবাহিক উদাহরণ রয়েছে। রবিবার হলদিয়ায় তাঁকে ফের সেই রামের খোঁচা দিতে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
এদিন হলদিয়ার হেলিপ্যাড গ্রাউন্ডের সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলায় মানুষের ফুটবল প্রেম সুবিদিত। তাই ফুটবলের ভাষায় বলছি, তৃণমূল একটার পর একটা ফাউল করেছে। অপশাসনের ফাউল, মানুষের টাকা লুঠ করার ফাউল, বিরোধীদের উপর হিংসা আর অত্যাচারের ফাউল.. বাংলার মানুষ সব দেখেছে। তাই খুব শিগগির বাংলার মানুষ তৃণমূলকে রাম কার্ড দেখাতে চলেছে”।
রাম কার্ড কেন?
জবাবে বিজেপি মুখপাত্র সায়ন্তন বসু ব্যাখ্যা করে বলেন, রামের কথা শুনলেই উনি পালিয়ে যাচ্ছেন, তাই।
সম্প্রতি ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে নেতাজির জন্মজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তৃতার আগে দর্শকাসন থেকে কেউ কেউ ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি তোলেন। তাতেই দৃশ্যত ক্ষুব্ধ হন মমতা। মঞ্চে দাঁড়িয়েই তিনি বলেন, সরকারি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়ে আমাকে বেইজ্জত করার চেষ্টা হচ্ছে। এ কথা বলে বক্তৃতা না দিয়েই নেমে যান মুখ্যমন্ত্রী।
মমতা বসে পড়ার পর প্রধানমন্ত্রী বক্তৃতা দেন। কিন্তু একবার জয় শ্রীরাম ধ্বনির প্রসঙ্গ তোলেননি। পরে বিজেপি নেতারাও বলেন, জয় শ্রীরাম ধ্বনি তোলার জন্য রক্ষণশীল হয়ে পড়ার কোনও কারণ নেই। ওই অনুষ্ঠানে জয় শ্রীরাম ধ্বনি না তুললেই ভাল হত। কিন্তু বক্তৃতা না দেওয়া, বেইজ্জতি করা হয়েছে গোছে প্রতিক্রিয়া না দিলেই ভাল হত।
https://twitter.com/amitmalviya/status/1358393591392002050
অনেকের মতে, এদিন রাম কার্ডের কথা বলে সেদিনের জয় শ্রীরাম স্লোগানকে এক প্রকার ছাড়পত্রই দিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী। হয়তো বোঝাতে চাইলেন, রামের নাম শুনেই যদি এমন হয়, তবে তাই হোক।
তৃণমূল অবশ্য কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। দলের তরফে সুখেন্দু শেখর রায় বলেছেন, জোশীমঠের ঘটনার জন্য তাঁদের হৃদয় ভারাক্রান্ত। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটা সমালোচনার জবাব সোমবার দেবে তৃণমূল।