দ্য ওয়াল ব্যুরো: উপভোক্তাদের জনধন অ্যাকাউন্টে কেন্দ্রীয় সরকার সরাসরি টাকা পাঠানো শুরু করতেই ভেঙে গেল সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিধিনিষেধ। পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখার নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে গ্রাহকরা ভিড় করলেন মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় ইউনাইটেড ব্যাঙ্কের শাখায়।
প্রধানমন্ত্রী জনধন যোজনায় খোলা অ্যাকাউন্টে উপভোক্তাকে সরাসরি টাকা পাঠানো শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যে বহু লোকের অ্যাকাউন্টে পাঁচশো টাকা করে জমাও পড়ে গেছে। এ খবর জানার পরেই লকডাউনের মধ্যেও ইউনাইটেড ব্যাঙ্কের হরিহরপাড়া শাখার বাইরে ব্যাপক ভিড় দেখা যায় সোমবার। করোনার জন্য পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখার যে নিয়ম দেশজুড়ে চালু রয়েছে সেই নিয়ম এদিন মানতে দেখা যায়নি ব্যাঙ্কের গ্রাহকদের।
অ্যাকাউন্ট নম্বর অনুযায়ী আগে থেকেই দিন বেঁধে দিয়েছিল ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়ে দিয়েছিল কাকে কবে আসতে হবে। কিন্তু ব্যাঙ্কের সেই আবেদন অগ্রাহ্য করে হরিহরপাড়ায় ইউনাইটেড ব্যাঙ্কের শাখায় দিনভর দেখা গেল ঠাসাঠাসি ভিড়। অনেক ক্ষেত্রে গণ্ডি কেটেও কোনও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ।
গ্রাহকদের একাংশ জানাচ্ছেন যে অনেকেই নিয়ম মানছেন না। কয়েক জন অনিয়ম শুরু করতেই সকলে ঠেলাঠেলি শুরু করে দেন। ব্যাঙ্ককর্মীরা বাধ্য হয়ে তার মধ্যেই কাজ করতে থাকেন। খবর দেওয়া হয় প্রশাসনে। ঘটনাস্থলে এসে জনতাকে কার্যত ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।
ব্যাঙ্ক ও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে গ্রাহকদের বারবার বলা সত্ত্বেও কিছুতেই তাঁদের হুঁশ ফিরছে না। এতে তাঁরা নিজেরাই নিজেদের বিপদ ডেকে আনছেন।
বাজার-দোকানে ভিড় এড়াতে রাস্তার উপরে বৃত্ত এঁকে দেওয়া হচ্ছে। ব্যাঙ্কের কাউন্টারের বাইরে তো বটেই, বৃত্ত এঁকে দেওয়া হয়েছে এটিএমের বাইরেও। তা সত্বেও লোকে নিয়ম মানছে না। লকডাউন থাকার ফলে জরুরি পরিষেবা ছাড়া সবই বন্ধ, তাই কারও অফিস যাওয়ার তাড়া আছে এমনও নয়। তার পরেও লোকে ভিড় করছেন অকারণে।