বর্ধমানের মাহিনগরে দুটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চলছে পানীয় জল-শৌচালয় ছাড়াই
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিন বছর ধরে খারাপ হয়ে পড়ে আছে পানীয় জলের কল। টিনের ছাউনি আছে কিন্তু গ্রীষ্মে রোদ ঢোকে আর বর্ষায় জল পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই চলছে। একটি কেন্দ্রে একটি শৌচালয় অবশ্য আছে কিন্তু তা ব্যবহারের অযোগ্য। এই ছবি বর্ধমানের মাহিনগর গ্
শেষ আপডেট: 13 February 2020 12:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিন বছর ধরে খারাপ হয়ে পড়ে আছে পানীয় জলের কল। টিনের ছাউনি আছে কিন্তু গ্রীষ্মে রোদ ঢোকে আর বর্ষায় জল পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই চলছে। একটি কেন্দ্রে একটি শৌচালয় অবশ্য আছে কিন্তু তা ব্যবহারের অযোগ্য। এই ছবি বর্ধমানের মাহিনগর গ্রামের বাগদি পাড়ার দুটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের। বেহাল এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র দুটির নম্বর ২০৭ ও ২০৯।
বারে বারে স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে ব্লক প্রশাসন এমনকি জেলা প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও সুরাহা মেলেনি। ঘোচেনি দুর্দশার বারোমাস্যা। এই কেন্দ্র দুটির একটিতে শৌচালয় নেই, দুটির কোনওটিতেই রান্নার কোনও নির্দিষ্ট জায়গা নেই, ক্ষুদেদের পড়ানোর ঘর নেই। সারা বছর খোলা আকাশের নীচে কচিকাঁচাদের লেখাপড়া চলে। ওই একইভাবে খাওয়াদাওয়াও করা হয়।
অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা কর্মীরা তো বটেই, স্থানীয় গ্রামবাসীরাও প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় আবেদন-নিবেদন করে এখন ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। তাঁরা চান অবিলম্বে প্রশাসন উদ্যোগী হোক এই সমস্যা মেটাতে।

এই বিষয়ে বাঘাড় পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সমরেন্দ্রনাথ রায় বলেন, “খুব তাড়াতাড়ি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির শাপমোচন করা হবে। পরিকাঠামো গড়া হবে, পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হবে, শৌচালয়ও গড়ে তোলা হবে।”
এই দুটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে গড়ে তিরিশ জন করে ষাট জন শিশু নিয়মিত আসে। অনেক প্রসূতিও আসেন খাবার নিতে। প্রতিটি কেন্দ্রে তিন জন করে মোট ছ’জন মহিলা কর্মী কাজ করেন। দিনের বড় সময় তাঁদের এখানে কাটাতে হয় অথচ কোনও শৌচালয় নেই। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয় অঙ্গনওয়াড়ির কর্মীদেরই। তাই তাঁরা স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যকে সমস্যার কথা জনিয়েছিলেন প্রথমে। সমস্যা না মেটায় তারপরে পঞ্চায়েতপ্রধান, পঞ্চায়েত সমিতি, ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকের অফিস – সাধ্যমতো সর্বত্রই জানিয়েছেন বলে দাবি কিন্তু কোনও লাভ হয়নি।