
শেষ আপডেট: 10 July 2023 10:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: ভোট হিংসার প্রেক্ষিতে ডেবরার তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ূন কবীরের (MLA Humayun Kabir) বিরুদ্ধে জোরদার আক্রমণ শানালেন আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দার (MP Aparupa Poddar)। ট্যুইটারে সরাসরি অভিযোগ করলেন, “আইপিএস হুমায়ুন কবির যা বলেছেন, কে বলিয়েছে জানা খুবই সহজ। উনি যখন সিপি চন্দননগর ছিলেন, তখন তেলিনীপাড়ায় দাঙ্গা হয়। সেটা যদি তদন্ত হয়, আইপিএস কবীর সাহেব ফাঁসবেন।”
রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটে হিংসা ও মানুষের মৃত্যু নিয়ে রবিবার ডেবরার তৃণমূল বিধায়ক প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ূন কবীর প্রকাশ্যেই বলেছিলেন, “বাঙালি হিসেবে আমি মর্মাহত এবং লজ্জিত। এত মানুষ খুন হলেন, আটকানো গেল না। এ সবার ব্যর্থতা।”
ট্যুইটারে তিনি লেখেন, “চুঁচুড়ার বড় বড় অপরাধী ওনার স্মরণে ছিল। সিপিএম সরকার থাকার সময় মালদহ, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনায় ওনার দোষে অনেক তৃণমূল কর্মী মারা গেছেন। এ নিয়ে কি একটু মুখ খুলবেন? তখন কি বাংলায় বাঙালি থাকত না। কার কথাতে আপনি তৃণমূলের এমএলএর টিকিট পেলেন। আপনি তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষতি করেছেন। সিপি থাকাকালীন সাকির আলি অভিযোগ এনেছিল তখন আপনাকে বাঁচিয়ে সাকির আলিকে বলি করা হল।” এখানে উল্লেখ্য সাকির আলি অপরূপার স্বামী। তিনি রিষড়ার কাউন্সিলর।
সোমবার অপরূপা বলেন, “হুমায়ুন সাহেব নিজেই বলছেন ২০০৮ সালে মুর্শিদাবাদে নির্বাচনের দিন অনেক মানুষ খুন হয়েছিলেন। তো তখন তিনি কিছু বলেননি কেন? ২০১৯ সালে পুলওয়ামা হামলায় ভারতীয় জওয়ানরা মারা গিয়েছিলেন। ভারতবাসী হিসেবে লজ্জিত ছিলেন না গর্বিত ছিলেন সেটা কেন বলেননি? আজকে অনেক বড় বড় কথা বলছেন। কিন্তু জেনে রাখবেন আমরা যা হয়েছি সবই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য। হয়তো ডেবরায় প্রার্থী ওনার মনোমতো হয়নি। সেই কারণেই এই ধরনের ভুলভাল বকছেন।” বিধায়কের বিরুদ্ধে সাংসদের এমন তিরে শোরগোল পড়েছে জেলা তৃণমূলের অন্দরে।
পুনর্নির্বাচনেও বুথের বাইরে স্বমহিমায় পান্ডুয়ার ব্লক তৃণমূল নেতা! গণনার পরে খেলার হুঁশিয়ারি