Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালক

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে এক রাত, যা দেখেছিলাম!

রফিকুল জামাদার সাংবাদিকতার প্রথম দিন থেকেই শুনছি, হাতে গুণে এমন কিছু দিন আসে, যার কভারেজ স্মৃতি হয়ে থেকে যায় বহুদিন! গত বছরের ২২ জুলাই সম্ভবত তেমনই ছিল! দক্ষিণ কলকাতার নাকতলায় শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) বাড়ি

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে এক রাত, যা দেখেছিলাম!

শেষ আপডেট: 22 July 2023 07:16

রফিকুল জামাদার

সাংবাদিকতার প্রথম দিন থেকেই শুনছি, হাতে গুণে এমন কিছু দিন আসে, যার কভারেজ স্মৃতি হয়ে থেকে যায় বহুদিন! গত বছরের ২২ জুলাই সম্ভবত তেমনই ছিল! দক্ষিণ কলকাতার নাকতলায় শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) বাড়ি আমার বসত ভিটে থেকে মিনিট পনেরোর রাস্তা! সকাল পৌনে ৮টায় দ্য ওয়ালের পেজ স্ক্রল করতে করতে যখন চা খাচ্ছি, তখন খবর পেলাম! পাঁচ মিনিট আগে পার্থবাবুর বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টররা (ED)। একইসঙ্গে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আরও অন্তত ১৩টা টিম বেরিয়েছে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স থেকে! খবর পাওয়া মাত্রই সম্পাদকের সঙ্গে মিনিট খানেকের কথা। প্রাথমিক প্রতিবেদন উঠে গেল দ্য ওয়ালে। বুঝলাম, দিনের অ্যাজেন্ডা সেট হয়ে গিয়েছে।

naktala

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে পৌঁছে গেলাম ৯টা নাগাদ। তখনও পুরোপুরি যেন ঘুমের রেশ কাটেনি এ পাড়ার। খবর রটে গেছে। পাশ দিয়ে যেতে যেতে উৎসাহী কেউ কেউ ইডির গাড়ি দেখে গলা উঁচু করে দেখছেন। কেউ বা পথচলতি ফোড়ন কাটছেন, বাবা এত সকালে! ঘুমোতেও দেবে না নাকি! ব্যস ওটুকুই। আমার মতই বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ততক্ষণে পৌঁছে গিয়েছেন নাকতলায় (Naktala)। তবে খবরের পারা তখনও চড়েনি। তেমন উত্তেজনার পরিবেশও নেই।

কেন উত্তেজনার পারা চড়েনি? হয়তো সিবিআই-ইডি নিয়ে ব্যাপার স্যাপার এখন অনেকটাই গা-সওয়া হয়ে গিয়েছে। কখনও নিজাম প্যালেসে, কখনও বা সিজিও-তে নেতারা যান আসেন। ওইটুকুই। তৃণমূলের এক সদ্য প্রয়াত নেতা, মজা করে বলতেন শুধু যাওয়া আর আসা.. শুধু স্রোতে ভাসা! অর্থাৎ যাওয়া আসাই সার। এর বাইরে কিছু হবে না।

naktala

সে থাক। পার্থবাবুর বাড়ি থেকে বেরিয়ে ঘণ্টা কয়েকের জন্য একবার রাজ্য সচিবালয়ে গিয়েছিলাম। ফিরে আসি দুপুরের মধ্যেই। কারণ ঘটনা পরম্পরায় তখন থেকেই কেমন সন্দেহ হচ্ছিল। অফিসেও ফোন করে জানাই তা। বিশেষ করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের প্রায় দেড়শ জনের টিম যেভাবে নেমে পড়েছে তা দেখে মনে হচ্ছিল, বড় কিছু ঘটতে চলেছে। সুতরাং অপেক্ষা করো।

দুপুর তখন ২টো বাজে। পার্থবাবুর বাড়ির বাইরেটা তখন ক্রমশই জমে উঠছে। ইডি, আধাসামরিক বাহিনীর গাড়ি, জওয়ান, বাইক থামিয়ে ইতি উতি দেখে হুশ করে বেরিয়ে যাওয়া, পায়ে পায়ে গুটি গুটি করে আসা পাড়ার লোক, টিভি ক্যামেরা ও ডিজিটাল মিডিয়ার লাইভ ও দাদার অনুগামীরা। ভিতর থেকে কেউ কেউ বেরোলেই ছুটে যাচ্ছেন সাংবাদিকরা—স্যার স্যার!

ed

এ ভাবেই জানা গেল, পার্থবাবুকে স্নান, খাওয়া এবং পুজো করার সময় দিয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। বাইরে এবার শুরু হয়ে গেছে বৃষ্টি। শুধু বৃষ্টি বললে ভুল হবে, নাগাড়ে বৃষ্টি। সকাল থেকে কখনও রোদ, কখনও বৃষ্টি- সূর্য লুকোচুরি খেলেছে নাকতলার আকাশে। বিকেল গড়ানোর মধ্যে আমার শার্ট ভিজেছে তা কিছুটা শুকিয়ে যাওয়ার পরে ফের ভিজেছে।

পড়ুন বিশেষ সিরিজ, সৎমন্ত্রী। সে যুগে বাংলার সৎ মন্ত্রীদের সত্যিকারের কাহিনি

বিকেল চারটে নাগাদ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ঢোকেন তাঁর পারিবারিক চিকিৎসক। সে কথা চাউর হতেই বাইরে সাময়িক উত্তেজনা ছড়ায়! অসুস্থ হয়ে পড়লেন নাকি পার্থ? শিল্পমন্ত্রী বরাবরই স্থূলকায় মানুষ। জোরে হাঁটতে পারেন না হাঁপিয়ে যান। এই চেহারায় সুগার প্রেসার থাকা অস্বাভাবিক নয়। এ সব সাত পাঁচ নিয়ে বাইরে যখন বিক্ষিপ্ত জটলায় আলোচনা চলছে তখন এসএসকেএম থেকে আসেন আরও দুই ডাক্তার। প্রায় আধঘণ্টা ধরে চলে মেডিক্যাল চেক-আপ। জানতে পারি, পার্থবাবু অসুস্থ নন। সুস্থই রয়েছেন। চেক আপের পর ফের শুরু হয়েছে ইডির জেরা।

partha chatterjee

এসবের মাঝেই নাকতলার রাস্তায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অনুগামীদের আনাগোনা শুরু হয়ে যায়। নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘের পুজোর পৃষ্ঠপোষক ‘পার্থদা’। আগাগোড়া কংগ্রেসি ঘরানার রাজনীতি করেছেন তিনি। আর এই ঘরানার আড্ডাটা বড় ব্যাপার। কংগ্রেসি দাদাদের ঘিরে পাড়ার ছেলেদের আড্ডা। কখনও ক্লাবে, কখনও বা রোয়াকে বসে কিংবা চায়ের দোকানে। সোমেন মিত্র তথা ছোড়দা এমনই আড্ডা প্রিয় ছিলেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও এমনতর আড্ডায় ব্যতিক্রমী ছিলেন না।

সেই দাদার জেরা চলছে সকাল থেকে বিকেল। দেখা গেল, পাড়াতুতো ভাইদের প্রত্যেকের চোখে-মুখে তখন উদ্বেগ স্পষ্ট, ‘দাদার কী হবে!’ পার্থকে শুক্রেই গ্রেফতার করা হবে কিনা সে নিয়েও আলোচনা কানে আসে। তবে এই অনুগামীর দল স্বভাবতই মিডিয়ার প্রতি খুব একটা প্রসন্ন ছিল না। সংবাদমাধ্যমে শুক্রবারের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে যা যা বলা হচ্ছে, একেবারেই তা মেনে নিতে পারছিলেন না ‘দাদার অনুগামীরা’।

naktala

সন্ধ্যায় পার্থকে জিজ্ঞাসাবাদের মাঝেই তোলপাড় ফেলে দেয় একটা নাম, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। অর্পিতা এই পাড়ায় বা নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘে অপরিচিত নাম নয়। তাঁর মুখ এ পাড়ায় অনেকেই চেনেন। বহুবার বহুদিন দাদার বাড়িতে অর্পিতাকে দেখা গিয়েছে। মডেল তথা এই অভিনেত্রীকে দেখা গিয়েছে নাকতলা উদয়নের মঞ্চে ও থিম সঙের অ্যালবামেও।

খবর আসে পার্থর এই ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর বাড়ি থেকে ২০ কোটি নগদ বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। মুহূর্তে যেন অনুগামীদের মুখ কালো হয়ে আসে, আরও গভীর হয় চিন্তার ভাঁজ। দলের মধ্যে থেকেই কেউ ‘দাদা’কে ফাঁসিয়ে দিচ্ছে কিনা, সেই আলোচনাও চলতে থাকে রাস্তায়। যে কোনও পাড়ায় সাধারণত এমন অনেকেই থাকেন, যাঁদের কোনও ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগ নেই, দায়ও নেই। কিন্তু চায়ের ভাঁড় হাতে নিয়ে সিগারেটে টান দিয়ে মুখের ভাব এমন যে তাঁকেই সামলাতে হবে ব্যাপারটা। দু-চারজন এমন লোককেও দেখা গেল বিক্ষিপ্ত জটলার মধ্যমণি হয়ে থাকতে। তাঁদের মধ্যে এক মহিলাও ছিলেন, চোখেমুখে উদ্বেগের ছাপ স্পষ্ট। মুখেও একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল, দাদার কী হবে!

আরও পড়ুন: অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে কী কী পাওয়া গেল, ইডি-কে ভাবাচ্ছে খাম

অর্পিতার ঘটনা সামনে আসতেই নাকতলায় টেনশনের পারদ চড়ে, প্রতিটা মুহূর্তই হয়ে ওঠে রুদ্ধশ্বাস। এই বুঝি পার্থকে বের করে আনল ইডি, এই বুঝি সিজিও কমপ্লেক্সের দিকে রওনা হল গাড়ি! বাড়ির সামনে কলকাতা পুলিশের তৎপরতাও এর পর বাড়তে থাকে। দফায় দফায় আসে ইডি-র নতুন টিম এবং আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী। যে কোনও মুহূর্তেই বাড়ি থেকে রাজ্যের মন্ত্রীকে বের করা হবে, গুঞ্জন ওঠে। বিশেষ করে রাত সাড়ে ১০ টায় ইডির সিনিয়র এক অফিসার সিআরপিএফের প্রহরায় পার্থর বাড়িতে পৌঁছতেই ব্যাপারটা আরও সিরিয়াস মোড় নেয়। বাইরে অপেক্ষারত অনেকেই ধরে নেন, এ বার গ্রেফতারি অনিবার্য।

এর মিনিট দশেক পর খবর পাই, ভিতরে সই সাবুদ চলছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছ থেকে যে সব কাগজপত্র পাওয়া গিয়েছে, অর্থাৎ সিজার লিস্ট এবং তাঁর বয়ান রেকর্ড করে যে নথি তৈরি হয়েছে তাতে সই করাচ্ছেন ইডি অফিসাররা।

তবে ইডি সূত্রে তখনই জেনে যাই, রাতে হয়তো পার্থবাবুকে গ্রেফতার দেখানো হবে না। কারণ, পার্থর সঙ্গে অর্পিতাকেও গ্রেফতার করা হবে। আর সূর্যাস্তের পর মহিলাদের সচরাচর গ্রেফতার করা হয় না। তাই যা হবে তা শনিবার সকালেই হবে।

এদিকে রাত তখন প্রায় সওয়া ১১টা। সকালের পর থেকে পেটে চা ছাড়া কিছু পড়েনি। খাওয়াদাওয়ার কথা প্রায় ভুলেই গিয়েছিলাম। পেটের ভিতর ছুঁচো যেন ডন মারছিল। আশপাশে খাবারের দোকান ছিল না। অগত্যা ভরসা সুইগি।

পার্থবাবুর বাড়ির সামনে চেনা লোকেশন যোগমায়া মন্দির। এক বন্ধুকে বলে কোনওরকমে সেই লোকেশনে এক প্যাকেট বিরিয়ানি আনানোর বন্দোবস্ত করি। বসার জায়গা ছিল না। ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়েই গোগ্রাসে গিলতে হয়েছে বিরিয়ানি।
এর মাঝে পার্থর বাড়ির সামনে যে পে অ্যান্ড ইউজ টয়লেট ছিল, রাত বাড়তে সেটাও বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিপাকে পড়েন সাংবাদিকরা। পরে অবশ্য বলেকয়ে এক রাতের জন্য শৌচাগার খোলানো গেছে।

সকাল থেকেই বড় সমস্যায় ফেলেছিল মোবাইল ফোন। সারাদিনের পর সন্ধে থেকে চার্জ ফুরিয়ে আসতে থাকে তাতে। ২৬ ঘণ্টার ধকল সে বইতে পারবে কেন! কখনও পাড়ার দোকানে, কখনও পার্থর কোনও প্রতিবেশীর বাড়িতে অনুরোধ করে কাজ চালাতে হচ্ছিল। মোবাইলটায় কোনওক্রমে দম দিতে হচ্ছিল বারবার।

naktala

রাত বাড়তে পার্থর বাড়িতে ইডি-র আনাগোনা বাড়ে। মিডিয়া তখনই আন্দাজ করেছিল বড়সড় পদক্ষেপের পথে হাঁটছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। পার্থবাবুর আইনজীবী অনিন্দ্য রাউতের গলাতেও তখন নড়বড়ে সুর।

এই সব নিয়েই রাতটা জেগে কাটল। বসার জায়গাই খুঁজে পাওয়া দুষ্কর, ঘুম কোত্থেকে আসবে! এক বার করে এগিয়ে পার্থবাবুর বাড়ির গেটের কাছে ঘাড় উঁচু করে দেখা আবার ফিরে আসা। সতীর্থ সাংবাদিকদের সঙ্গে সাত পাঁচ আলোচনা করতে করতেই ভোর হয়ে গেল। সকালের আলো ফুটতে গ্রেফতারির সম্ভাবনা স্বাভাবিক ভাবেই জোরালো হয়।

দ্য ওয়ালের প্রতিবেদনে রাতেই ইঙ্গিত ছিল, পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হতে চলেছেন। সকাল হতেই পার্থবাবুর আইনজীবীকে দৌড়াদৌড়ি করতে দেখা যাচ্ছিল। স্পষ্ট বোঝা যায় যে গ্রেফতার করার প্রক্রিয়া শুরু করছে ইডি। এরপর নাকতলার বাড়িতে রুটিন চেক-আপের জন্য ঢোকে মেডিক্যাল টিম। সাধারণত কাউকে গ্রেফতারের আগে তাঁর শারীরিক অবস্থা কেমন তা বোঝার জন্য এই রুটিন চেক-আপ হয়। গ্রেফতারির সম্ভাবনায় সিলমোহর পড়ে যায় এতেই।

সকালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে আরেকজন আইনজীবী এসেছিলেন। নিজাম প্যালেসে এই অনির্বাণ গুহঠাকুরতাকে মাঝেমাঝে দেখেছি। পার্থবাবুর বাড়ির পিছন দিক দিয়ে ভিতরে ঢোকেন। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁকে পার্থর কাছে যেতে দেয়নি।

এর পর সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ যাবতীয় সম্ভাবনা সত্যি হয়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তারপর তাঁকে জোকার ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় মেডিক্যাল চেক-আপের জন্য। সেখান থেকে গন্তব্য ব্যাঙ্কশাল কোর্ট।

বাংলার রাজনীতিতে আগামীদিনে আরও অনেক চাপানউতোর আসবে। ফাঁস হবে অনেক কেলেঙ্কারির রহস্য। কিন্তু নাকতলা শক্তি সংঘের সামনের ওই ২৬টা ঘণ্টার রেশ সাংবাদিক জীবনে লেগে থাকবে চিরকাল। পরিশ্রম, কষ্ট, ছোটাছুটি তো চলতেই থাকে। এমন ঘামঝরা ২২ জুলাইয়ের জন্যই তো অপেক্ষা করে থাকেন রিপোর্টাররা।

দ্বিতীয় মীরজাফর: পার্থর মতো চাকরি বিক্রির দোকান খুলে বসেননি বাংলার কোনও নেতা-মন্ত্রী


```