
শেষ আপডেট: 9 April 2023 14:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সম্প্রীতির বার্তা দিতে বামপন্থী দলগুলির ডাকা মহামিছিলে (CPIM Rally) রবিবার দুপুরে জনপ্লাবন দেখল হুগলির বিস্তীর্ণ এলাকা। সিপিআইএম ছাড়াও মোট দশটি দল যোগ দিয়েছে এদিনের মিছিলে। গত রবিবার রিষড়ায় রামনবমীকে কেন্দ্র করে যে অশান্তির আবহ তৈরি হয়, সোমবার পর্যন্ত যার রেশ চলে। সেই ঘটনার পরেই এই মিছিল ডাকা হয়।

জানা গেছে, কোন্নগর বাটা থেকে শুরু হয়ে উত্তরপাড়া গৌরী সিনেমার সামনে এই মিছিল শেষ হয়। এর পরে শুরু হয় একটি জনসভা। এদিনের মিছিলে উপস্থিত রয়েছেন মহম্মদ সেলিম, বিমান বসু, শ্রীদীপ ভট্টাচার্য-সহ একাধিক বাম নেতৃত্ব।

রবিবারের এই মিছিল আদতে শুরু হওয়ার কথা ছিল রিষড়ার সীমান্ত এলাকা বাগখাল থেকে। কিন্তু পুলিশ সেই অনুমতি দেয়নি, ফলে আরও এগিয়ে মিছিল শুরু হয় কোন্নগর বাটা থেকে। কিন্তু তার পরেও আড়েবহরে মিছিলের যে আকৃতি দেখা যায়, তাতে দু-আড়াই ঘণ্টার জন্য একেবারে স্তব্ধ হয়ে যায় জিটি রোড। বালি ব্রিজেও যানজট হয়ে যায়।

এদিনের মিছিলের বিপুল জমায়েত দেখে কার্যত চমকে গিয়েছেন অনেকেই। কেউ কেউ বলছেন, বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় থাকার সময়েও এত বড় মিছিল খুব একটা দেখা যায়নি। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য হুগলি জেলার সম্পাদক, দেবব্রত ঘোষ 'দ্য ওয়াল'-কে বলেন, 'বামফ্রন্ট যখন সরকারে ছিল, তখনও হুগলি জেলায় এত বৃহৎ মিছিল আমরা দেখিনি।'



মিছিল শেষে উত্তরপাড়ার সভায় বিমান বসু বলেন, "আমি পুরো মিছিলটা হাঁটিনি। ৩৪ মিনিট হাঁটার পর পিছনে গাড়িতে উঠেছিলাম। আমি যে মিছিল দেখলাম তাতে আমি অভিভূত। এইরকম মিছিল আমি হুগলিতে দেখিনি।"

আগামীকাল হাওড়ার শিবপুরেও বামফ্রন্টের ডাকা এমনই এক সম্প্রীতি মিছিল আয়োজিত হবে। বালিখাল থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত হাঁটবেন বাম কর্মী-সমর্থকরা।
মোদীর ডিগ্রি বিতর্কে নাম না করে কেজরিওয়ালকে অশিক্ষিত বললেন দিল্লির উপরাজ্যপাল