Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালক

অবসরের দিনেই গুলিতে মৃত্যু ইসিএল কর্মীর, কারণ নিয়ে ধন্ধে পুলিশ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অবসরের দিনেই অস্বাভাবিক ভাবে মৃত্যু হল ইস্টার্ন কোল ফিল্ডসের (ইসিএল) এক নিরাপত্তাকর্মীর। শুক্রবার বিকেল চারটেয় তাঁর অবসর নেওয়ার কথা ছিল। সেই দিনই ভোর বেলা জামুড়িয়ার শ্রীপুর অঞ্চলে তাঁর গুলিবিদ্ধ দেহ দেখতে পান ইসিএলের কর্মী

অবসরের দিনেই গুলিতে মৃত্যু ইসিএল কর্মীর, কারণ নিয়ে ধন্ধে পুলিশ

শেষ আপডেট: 31 January 2020 08:34

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অবসরের দিনেই অস্বাভাবিক ভাবে মৃত্যু হল ইস্টার্ন কোল ফিল্ডসের (ইসিএল) এক নিরাপত্তাকর্মীর। শুক্রবার বিকেল চারটেয় তাঁর অবসর নেওয়ার কথা ছিল। সেই দিনই ভোর বেলা জামুড়িয়ার শ্রীপুর অঞ্চলে তাঁর গুলিবিদ্ধ দেহ দেখতে পান ইসিএলের কর্মীরা। নিহত ব্যক্তির নাম মহেন্দ্র দাস। তিনি কর্তব্যরত অবস্থায় ছিলেন বলে দাবি করেছেন তাঁর সহকর্মীরা। অবসরের দিনই এই ঘটনা ঘটায় মৃত্যুর কারণ নিয়ে চিন্তিত পুলিশ। এটি খুন নাকি আত্মহত্যা – তাও ভাবাচ্ছে পুলিশকে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইসিএলের নিরাপত্তারক্ষীর বন্দুক থেকেই গুলিটি চলেছিল। অসাবধানতা বশত এই ঘটনা ঘটেছে কিনা, যদি তাই হয়ে থাকে তবে যে বন্দুক থেকে গুলি চলেছিল সেটি কার জিম্মায় ছিল সে কথা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ইসিএলের কোয়ার্টার্সেই ওই ব্যক্তি থাকতেন। তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলে রয়েছে। বড় ছেলে বিএসএফে কর্মরত, ছোট ছেলে এখনও বেকার। এদিন ভোররাত তিনটে নাগাদ রক্তাক্ত অবস্থায় মহেন্দ্রকে দেখতে পান তাঁর সহকর্মীরা। তখনই তাঁরা খবর দেন ইসিএল কর্তৃপক্ষকে, তাঁরা ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে যান। খবর দেওয়া হয় পুলিশেও। জামুড়িয়া থানার পুলিশও ঘটনাস্থলে চলে আসে। পুলিশ দেহ উদ্ধার করতে যেতেই বাধা দেন ইসিএলের কর্মীরা। তাঁরা উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি করতে থাকেন। ইসিএলের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ক্ষতিপূরণ স্থির করবে। এই ঘটনা কী ভাবে ঘটল তা জানতে তারা নিজেরা তদন্ত করবে। তাঁরা যে এই ঘটনার বিচার চান সে কথাও দ্ব্যর্থহীন ভাবে জানিয়ে দেন ইসিএল কর্তৃপক্ষ। তবে তাতে বিক্ষোভ বন্ধ হয়নি। ইসিএলের কর্মীরা জানিয়ে দেন যে নিহতের ছেলেকে চাকরির প্রতিশ্রুতি না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা দেহ নিয়ে যেতে দেবেন না। ইসিএলের কর্মীরা দাবি করেছেন, নিহতের ছেলের চাকরির প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পরেই তাঁরা দেহ নিয়ে যেতে দিয়েছেন। পুলিশ দেহটি আসানসোল জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। সেখান থেকে দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হবে। ইতিমধ্যেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে পুলিশ তদন্ত শুরু করে দিয়েছে।

```