দ্য ওয়াল ব্যুরো: ব্যারাকপুরের নিহত বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লর শেষকৃত্য সম্পন্ন হল খড়দহ রাসমণি ঘাটে। গভীর রাতে মণীশের দেহ বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয় শ্মশানে। মঙ্গলবার ভোর তিনটে নাগাদ তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
রবিবার রাতে আটটা নাগাদ টিটাগড় থানার ঢিল ছোড়া দূরত্বে বিজেপি পার্টি অফিসের সামনে মণীশকে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়। তারপর থেকেই উত্তাল হয়ে ওঠে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল। বিজেপি ইতিমধ্যেই সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে। মণীশ খুনের কিনারা করতে সিআইডিকে দায়িত্ব দিয়েছে নবান্ন। এই ঘটনায় সোমবার গভীর রাতে এক ব্যবসায়ী ও এক শার্প শ্যুটারকে আটক করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে খুররাম নামের ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে মণীশের দীর্ঘ দিনের সংঘাত ছিল।
সোমবার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর নিহত মণীশ শুক্লর দেহ নিয়ে সোজা রাজভবনের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল বিজেপি। তা নিয়ে শহরের প্রাণকেন্দ্রে লণ্ডভণ্ড পরিস্থিতি তৈরি হয় ভর সন্ধেবেলা। এরপর রাত প্রায় পৌনে নটা নাগাদ নিহত বিজেপি নেতার দেহ পৌঁছয় খড়দহের বাড়িতে। মরদেহের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন মণীশের স্ত্রী ও পরিবারের লোকজন। পেশায় আইনজীবী মণীশ শুক্লর দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। একজনের বয়স আট বছর, অন্য জনের চার বছর। তাঁরাও বাবার মৃতদেহের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়ে।
রাত পর্যন্ত শেষকৃত্য নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ বলেছিলেন, হতে পারে মঙ্গলবার সকালে মণীশের শেষকৃত্য হবে। বাড়ির লোকও কিছু আচার অনুষ্ঠানের জন্য সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চেয়েছিলেন।
কিন্তু মৃত্যুর পর প্রায় ৩০ ঘণ্টা পার হয়ে যাওয়ার পর অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন এরপর দেহে পচন ধরতে পারে। সে কারণে পরিবারের অনুমতি নিয়ে গভীর রাতে মণীশের দেহ সৎকারের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।