Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল?

তরুণের পরিণতি দেখে বাইরে কাজে যেতে ভয় পাচ্ছেন ময়নাগুড়ির পরিযায়ী শ্রমিকরা

দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: বাড়ি ফেরার কথা ছিল পুজোর সময়। কিন্তু আর কোনও পুজোই দেখা হল না তাঁর। তামিলনাড়ুর উদ্দেশে যাত্রাই হল শেষ যাত্রা। মঙ্গলবার ময়নাগুড়ির বাড়িতে ফিরল তরুণ রায়ের কফিনবন্দি দেহ। তিনি করমণ্ডল এক্সপ্রেসে কাজের খোঁজে তামিল

তরুণের পরিণতি দেখে বাইরে কাজে যেতে ভয় পাচ্ছেন ময়নাগুড়ির পরিযায়ী শ্রমিকরা

শেষ আপডেট: 6 June 2023 15:27

দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: বাড়ি ফেরার কথা ছিল পুজোর সময়। কিন্তু আর কোনও পুজোই দেখা হল না তাঁর। তামিলনাড়ুর উদ্দেশে যাত্রাই হল শেষ যাত্রা। মঙ্গলবার ময়নাগুড়ির বাড়িতে ফিরল তরুণ রায়ের কফিনবন্দি দেহ। তিনি করমণ্ডল এক্সপ্রেসে কাজের খোঁজে তামিলনাড়ুর দিকে যাচ্ছিলেন।

জেলা প্রশাসন তরুণবাবুর পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেয়। কফিনবন্দি দেহ পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার। আত্মীয়রা জানান, তরুণ প্রায় সাত বছর ধরে বিভিন্ন রাজ্যে গাড়ি চালাতেন। কর্ণাটক, কেরলেও কাজ করেছেন, এবার ছোট বোনের বিয়ে দেওয়ার জন্য তামিলনাড়ুতে কাজে যাচ্ছিলেন। একটি ঠিকাদারি সংস্থার মাধ্যমে কাজে পেয়েছিলেন। করমণ্ডল এক্সপ্রেসে তরুণের সঙ্গে একই কামরায় ছিলেন শৈলেন রায়। দুর্ঘটনায় মারাত্মক জখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন শৈলেন।

ছেলের মৃত্যুর খবর শোনার পর থেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন মা সুমিত্রা রায়। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তরুণের কাকা মোহন রায় কাঁদতে কাঁদতে বলেন, 'পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ছিল তরুণ। ড্রাইভারি করে বড় বোনকে বিয়ে দিয়েছে। ছোট বোনের বিয়ে দেওয়ার জন্য ভালো রোজগারের আশায় ভিনদেশে যাচ্ছিল। কী থেকে কী হয়ে গেল। কুলকিনারা খুঁজে পাচ্ছিনা।'

তবে এই দুর্ঘটনার ভয়াবহতা এখন ভাবিয়ে তুলেছে এলাকার শ্রমিকদের। শশাঙ্ক বর্মন, ভুপাল ব্যাধের মতো স্থানীয় যুবকরা জানাচ্ছেন, এখানে দৈনিক ৩০০-৪০০ টাকায় কাজ করতে হয়। এখানে বড় কলকারখানা নেই। বড় কাজ নেই। তাই ভিন রাজ্যে পাড়ি দিতে হয়েছিল তাঁকে। যদি এখানে কাজ থাকতো তবে তরুণকে এভাবে মরতে হতো না।

নাগরাকাটায় পৌঁছল ১৯ বছরের শ্রমিকের দেহ, অনটন মেটাতে বেঙ্গালুরু যাচ্ছিলেন


```