দ্য ওয়াল ব্যুরো: নদিয়ার শান্তিপুরে বিষমদে মৃত্যুর ঘটনায় আবগারি দফতরের ১১ জন কর্মী আধিকারিককে সাসপেন্ড করল রাজ্য সরকার। এরমধ্যে রয়েছেন রানাঘাট রেঞ্জের ডেপুটি এক্সাইজ কালেক্টর ও শান্তিপুর সার্কেলের বর্তমান ও প্রাক্তন ওসি। সাসপেন্ড করা হয়েছে আবগারি দফতরের আট কনস্টেবলকেও। রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেই ওই আবগারি কর্মী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কারণ কোনও ভাবেই এই ঘটনার দায় এড়াতে পারেন না তাঁরা। দায়িত্ব পালনে কেউ ব্যর্থ হলে সরকার ছেড়ে দেবে না।”
বিষমদে মৃত্যুর ঘটনার তদন্তভার সিআইডিকে দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তাদের হাতে দু লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়ার জন্য জেলাশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
শান্তিপুর থানার নৃসিংহপুরের চৌধুরীপাড়ায় বুধবার বিষমদ খেয়ে মৃত্যু হয় সাতজনের। এখনও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ১৯ জন। এঁরা বেশিরভাগই ইটভাটার শ্রমিক। এলাকার মানুষের অভিযোগ, চন্দন মাহাতো নামে একজনের মদের ভাটিতে মদ খেয়েই এই বিপত্তি। অমিত মিত্র বলেন, “মদে কিছু মেশানো হয়েছিল বলে শোনা যাচ্ছে। সে সব খতিয়ে দেখতেই সিআইডিকে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে। বিহার ও ঝাড়খণ্ড থেকে চোরাপথে এ রাজ্যে মদ নিয়ে আসত এক শ্রেণির ব্যবসায়ী। এমন খবরও আছে আমাদের কাছে। তাদের চিহ্নিত করা হবে।”