
শেষ আপডেট: 17 November 2018 13:45
শনিবার সকালে সুকুমারবাবু ও ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের সভাধিপতি মাধবী বিশ্বাস জঙ্গলখাস গ্রামে গিয়ে শবর পরিবারগুলিকে শীতের জামাকাপড় ও ত্রাণ সামগ্রী বিলি করেন। এর কিছুক্ষণ পরেই এলাকায় আসেন বাম ও কংগ্রোসের বিধায়ক দল। শবর পরিবারগুলির সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা।
বাড়ির উঠোনে বসেছিলেন শিবু শবর ও তাঁর বৃদ্ধা মা বাসনা শবর। শিবু শবর তাঁদের জানান, রেশনে চাল দেয় বটে, কিন্তু সে চালে তাঁদের কিছুই হয় না। বাসনা শবর বিধায়কদের জানান, "ডাক্তার তো আসে। কিন্তু মরার পর।"
কংগ্রেসের বিধায়ক অসিত মিত্র বলেন, "এখানে নামেই উন্নয়ন হয়েছে , বাড়ি বাড়ি তো শৌচালয় আছে। কিন্তু তা নামেই। বাড়ি আছে, কিন্তু দরজা জানলা নেই । এদের জমি জায়গা নেই । কাজকর্মেরও কোনও সংস্থান নেই।"
বিধায়কদের দলে ছিলেন কংগ্রেসের তিন বিধায়ক অসিত মিত্র , সুখবিলাস বর্মা , সুদীপ মুখার্জি ও সিপিএমের বিধায়ক শ্যামলী প্রধান , খগেন মুর্মু , সুজিত চক্রবর্তী , প্রদীপ সাহা। এছাড়াও ঝাড়গ্রাম জেলা বামফ্রন্টের সম্পাদক পুলিনবিহারী বাস্কেও এই দলে সামিল ছিলেন। তাঁরা বলেন, "আমরা সোমবার বিধানসভায় এই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণী প্রস্তাব আনবো । তুলে ধরবো এখানকার খাদ্য সঙ্কটের কথা।"
তবে এলাকার তৃণমূল বিধায়ক সুকুমারবাবু বলেন, "কাদের সঙ্গে ওদের কথা হয়েছে জানি না। তবে ওই এলাকায় তো অভাব বলে কিছু নেই। সবাই ভাল মতোই খেতে পারেন, পরতে পারেন।"
এ দিকে জঙ্গলখাসে শবরের মৃত্যুর পর কয়েক দিনে এলাকার একটি পাত কুয়ো ও চারটি সাব মার্সিবেল পাম্প সারানো হয়েছে । শবরদের দুপুরে ও রাতে ভাত খাওয়ানোর জন্য নিযুক্ত করা হয়ে মা সনকা, মা সারদা ও অন্নপূর্ণা নামের মোট তিনটি দলের ৬০ জন সদস্যকে।