বোনের শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্তকে খুন করল দাদা, হাসপাতালের বেডেই ছুরির কোপ
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হায়দরাবাদ এনকাউন্টারের স্মৃতি এখনও টাটকা। এর মধ্যেই ফের ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষককে শাস্তি দেওয়া নিয়ে তৈরি হল বিতর্ক। আরও একবার সামনে চলে এল গণপিটুনির মতো ঘটনা। শুধু তাই নয়, শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্তকে অনেকে মিলে পেটানোর পর তাকে হাস
শেষ আপডেট: 30 December 2019 10:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হায়দরাবাদ এনকাউন্টারের স্মৃতি এখনও টাটকা। এর মধ্যেই ফের ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষককে শাস্তি দেওয়া নিয়ে তৈরি হল বিতর্ক। আরও একবার সামনে চলে এল গণপিটুনির মতো ঘটনা। শুধু তাই নয়, শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্তকে অনেকে মিলে পেটানোর পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। রবিবার হাসপাতালে গিয়ে অভিযুক্তর পেটে ছুরি গেঁথে দিল নিগৃহীতার দাদা। মৃত্যু হয়েছে ৫২ বছর বয়সী ওই অভিযুক্তের।
ঘটনাটি ঘটেছে কর্ণাটকের ধারওয়াড় নাভালগান্দে। জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেলে এক নাবালিকাকে জোর করে তুলে নিয়ে যাচ্ছিল ওই ব্যক্তি। মেয়েটির চিৎকারে ছুটে আসেন বাড়ির লোক। জড়ো হয়ে যান প্রতিবেশীরাও। এরপর সবাই মিলে ধাওয়া করে ধরে ফেলে ওই ব্যক্তিকে। তারপরই শুরু হয় বেধড়ক মার।
জনতার মারে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে অচৈতন্য হয়ে পড়ে ওই ব্যক্তি। পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে যায় হাসপাতালে। নিগৃহীতার পরিবার অভিযোগ দায়ের করে থানায়। কিন্তু ঘটনা অন্যদিকে মোড় নেয় রবিবার দুপুরে। যে হাসপাতালে ওই ব্যক্তিকে ভর্তি করা হয়েছিল সেখানে পৌঁছে যায় ওই নাবালিকার দাদা। তারপর বেডে শুয়ে থাকা অবস্থাতেই একের পর এক ছুরির কোপ বসাতে শুরু করে। মৃত্যু হয় অভিযুক্তের।
গোটা ঘটনায় হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। অনেকেই বলছেন, কী করে একজন রোগীকে এ ভাবে হাসপাতালের ভিতর খুন করা যায়। ধর্ষণের মতো ঘটনায় অভিযুক্তর জন্য হাসপাতালে কেন নিরাপত্তা ছিল না তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
নিগৃহীতার দাদাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গণপিটুনির অভিযোগ দায়ের হয়েছে ওই নাবালিকার বাবা-সহ মোট ২৩ জনের বিরুদ্ধে।