Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটো

বাতাসে ৫০% বেড়েছে কার্বন ডাই অক্সাইড, বিপদসীমা ছাড়াচ্ছে দূষণ, সতর্ক করছেন পরিবেশবিদরা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাতাসে বিপজ্জনকভাবে বাড়ছে কার্বন ডাই অক্সাইড। বিষ-বাষ্পের মাত্রা বেড়েছে ৫০ শতাংশ। মে মাস থেকে বায়ুদূষণ যে হারে বাড়ছে তাতে বিপদসীমা ছাড়িয়ে যাবে খুব তাড়াতাড়ি, সতর্ক করছেন ন্যাশনাল ওসিয়ানিক অ্যান্ড অ্যাটমস্ফিয়ারিক অ্যাড

বাতাসে ৫০% বেড়েছে কার্বন ডাই অক্সাইড, বিপদসীমা ছাড়াচ্ছে দূষণ, সতর্ক করছেন পরিবেশবিদরা

শেষ আপডেট: 9 June 2021 05:58

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাতাসে বিপজ্জনকভাবে বাড়ছে কার্বন ডাই অক্সাইড। বিষ-বাষ্পের মাত্রা বেড়েছে ৫০ শতাংশ। মে মাস থেকে বায়ুদূষণ যে হারে বাড়ছে তাতে বিপদসীমা ছাড়িয়ে যাবে খুব তাড়াতাড়ি, সতর্ক করছেন ন্যাশনাল ওসিয়ানিক অ্যান্ড অ্যাটমস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের গবেষকরা। বিশ্বজুড়ে বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বেড়েছে ৫০ শতাংশ। গত ২০০ বছরে যেখানে বাতাসে বিষাক্ত কার্বনের মাত্রা বেড়েছিল মাত্র ২৫ শতাংশ, সেখানে মাত্র ৩০ বছরেই বিষাক্ত বাষ্পের মাত্রা দ্বিগুণ হয়েছে। এর অন্যতম প্রধান কারণই হল, মানুষের তৈরি দূষণ। কলকারখানা ধোঁয়া, গ্রিন হাউস গ্যাসের বাড়বাড়ন্ত। প্লাস্টিক দূষণের কারণে পরিবেশে রাসায়নিকের মাত্রাও বাড়ছে। মাইক্রোপ্লাস্টিক থেকে বিষাক্ত কণা মিশছে মাটি, জলে। CO2 shortage—why can't we just pull carbon dioxide out of the air? করোনা আবহে লকডাউনের সময় বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের পরিমাণ অনেকটাই কমে গিয়েছিল। কিন্তু লকডাউনের রাশ আলগা হওয়ার পর থেকে ফের কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা বেড়েছে। চলতি বছর মে মাসের সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাতাসে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৪১৭.১৪ পিপিএম (পার্টস পার মিলিয়ন), কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়েছে ৪১৯.৫ পিপিএম। Enviro Technology Services | Highlighting Air Pollution | Greenhouse PR গবেষকরা বলছেন, শুধু ভাসমান ধূলিকণা (পিএম১০) ও অতিসূক্ষ্ম ধূলিকণাই (পিএম ২.৫) নয়, যানবাহনের সংখ্যা বাড়ায় বাতাসে নাইট্রোজেন-ডাই-অক্সাইডের মাত্রাও বিপজ্জনক হারে বাড়ছে। বায়ুমণ্ডলে ওই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণা (পিএম)-গুলি খুব সহজে মিশে যেতে পারে। কিন্তু যদি পিএম কণাগুলির ব্যাস বেশি হয় তাহলে বায়ুমণ্ডলে মিশে যেতে সময় লাগে বেশি। বিদ্যুৎকেন্দ্র, গাড়ি, ট্রাক, অগ্নিকাণ্ড, ফসল পোড়ানো ও কারখানার চিমনি থেকে এই দূষণ-কণাগুলি বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। পরে বাতাসের ধূলিকণাকে আশ্রয় করে বিষ-বাস্প তৈরি করে। কুড়ি সালের এপ্রিল মাসের পর থেকে সারা বিশ্বে দৈনিক কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গমনের মাত্রা কমতে শুরু করেছিল। দেখা গিয়েছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দৈনিক কার্বন নির্গমনের মাত্রা আগের তুলনায় প্রায় এক তৃতীয়াংশ কমেছিল। কার্বন নির্গমনে বিশ্বের পরিসংখ্যাণে সর্বদাই শীর্ষে থাকে চিন। সেখানেও গত ফেব্রুয়ারি মাসে দৈনিক কার্বন নির্গমনের মাত্রা কমেছিল প্রায় এক চতুর্থাংশ। এছাড়াও ভারত এবং ইউরোপে যথাক্রমে ২৬ এবং ২৭ শতাংশ করে কমেছে দৈনিক কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গমনের পরিমাণ। আন্তর্জাতিক জার্নাল ‘নেচার ক্লাইমেট চেঞ্জ’-এ প্রকাশিত হয়েছিল সেই তথ্য। গবেষকরা আশঙ্কা করেছিলেন, মানুষ আবার তার স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরতে শুরু করলে, দৈনিক কার্বন নির্গমনের পরিমাণ হু হু করে বাড়বে। সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়ে দেখা দিয়েছে। It's positively alpine!': Disbelief in big cities as air pollution falls | Air pollution | The Guardian ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে পদার্থবিদ জন টিন্ডাল পরিবেশের অন্যতম প্রধান শত্রু কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসকে চিহ্নিত করেছিলেন। তিনি পরীক্ষা করে দেখিয়েছিলেন, সূর্যের আলো এবং তাপ বায়ুমণ্ডল ভেদ করে পৌঁছয় পৃথিবীর মাটিতে। মাটি উত্তপ্ত হয়। এবং তাপ ছাড়ে। সে তাপ ফেরত যেতে পারে না মহাশূন্যে। বাতাসে উপস্থিত কার্বন ডাই-অক্সাইড তা শুষে নেয়। ফলে বাতাস গরম হয়ে ওঠে। সেই তাপ আবার ফেরত যায় মাটিতে। এটাই গ্রিনহাউস এফেক্ট। এই কারণেই বিশ্ব উষ্ণায়ণে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, পৃথিবীর বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের যা পরিমাণ, সেটা বেড়ে দ্বিগুণ হলে পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়বে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জলবায়ু বদলের ভয়ঙ্কর প্রভাব পড়বে জীবজগতের ওপরে।

```