
শেষ আপডেট: 15 May 2023 13:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ৬ মে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়ায় বিশাল মিছিল করেছিলেন ডিএ আন্দোলনকারীরা (DA Protesters Rally)। আদালতের অনুমতিক্রমেই সেই মিছিল হয়েছিল হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট, হরিশ মুখার্জি রোড এবং কালীঘাট রোডে। তারপর সোমবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এদিন ফের মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় গ্রুপ ডি-র চাকরিপ্রার্থীদের মিছিলের অনুমতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায়। বিকেলে তা নিয়েই নবান্নের সাংবাদিক বৈঠক থেকে মানুষের যন্ত্রণার কথা শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন মমতা বলেন, ‘হরিশ মুখার্জি রোড তো ওয়ান ওয়ে। ওখানে মিছিল করার কথা নয়।’ সেইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা পাঁচ লাখ লোকের মিছিল করলে পাঁচ মিনিটে পাস করিয়ে দেব। আর ১০০ লোক নিয়ে পাঁচ হাতে দূরে দূরে থেকে দীর্ঘক্ষণ ধরে যাচ্ছে!’
একথা বলতে গিয়েই ডিএ আন্দোলনকারীদের মিছিলের দিনের একটি অভিজ্ঞতার কথা শোনান মুখ্যমন্ত্রী। এখানে বলে রাখা ভাল, ৬ মে শনিবার মুখ্যমন্ত্রী বাড়িতেই ছিলেন। এমনিতে শনিবার তিনি নবান্নে যান না। সেদিন জেলা বা শহরের অন্যত্র কর্মসূচিও ছিল না তাঁর। তিনি বলেন, ‘আমার অফিসে অনেকে কাজ করে। আমি তাঁদের একজনকে হরিশ মুখার্জি রোড থেকে ডেকে পাঠাই। সে বলে, কী করে যাব, চার ঘণ্টা ধরে তো আটকে আছি। মিছিলের জন্য পুলিশ গাড়ি বের করতে দিচ্ছে না। বাচ্চারা পড়তে যেতে পারছে না।’
আদালতের সওয়ালে রাজ্য সরকার স্পষ্টই বলে, মিছিলে তো বাধা দেওয়া হচ্ছে না। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর পাড়াতেই কেন মিছিল করতে হবে? পাল্টা আদালত প্রশ্ন করে, শান্তিপূর্ণ মিছিল হলে মুখ্যমন্ত্রীর বাসস্থানের এলাকায় মিছিল করতে দিতে অসুবিধা কোথায়?
ডিএ আন্দোলনকারীদের মিছিলের পর একই কারণ দেখিয়ে আগামী ১৭ মে সন্ধে ৬-টা পর্যন্ত মিছিল করার অনুমতি পেয়েছেন গ্রুপ ডি চাকরি প্রার্থীরা। সেই মিছিলের অনুমতি পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, ওই এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষের জীবনযন্ত্রণার কথা।
মমতার চোখা প্রশ্ন সরকারি কর্মচারীদের, সারাদিন মিছিল করলে কাজ করবেন কখন