
শেষ আপডেট: 13 December 2019 18:30
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে শুরু হয়েছে তুষারপাত। ৬০ সেন্টিমিটার পুরু বরফের স্তর জমেছে ডালহৌসিতে। সিমলা ঢেকে গিয়েছে ১৩ সেন্টিমিটার পুরু বরফে, মানালিতে তুষারপাত হয়েছে ১০ সেন্টিমিটার, কুফরিতে ২০ সেন্টিমিটার।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী দু’দিনও ভারী তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে। সিমলা মেটিওরোলজিক্যাল সেন্টারের ডিরেক্টর মনমোহন সিং জানিয়েছেন, ভারী তুষারপাতের কারণে স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ দিন সকালে কুফরিতে তুষারপাতের কারণে আটকে পড়ে প্রায় ১৭০ জন পড়ুয়া। গত ২৪ ঘণ্টায় নিরবচ্ছিন্ন তুষারপাতের জেরে মানালির অবস্থা বেশ খারাপ। একই অবস্থা হিমাচলের প্রত্যন্ত আদিবাসী অঞ্চলেও, সেখানেও ঘর ছেড়ে বেরোতে পারেননি কেউ।
ব্যাপক হারে এই তুষারপাত প্রভাব ফেলেছে হিমাচল প্রদেশের যানচলাচলে, বন্ধ হয়ে আছে অধিকাংশ রাস্তা। গাড়ি ভাড়াও এক ধাক্কায় বেড়ে গিয়েছে অনেকটাই। তবে একই অঞ্চলে আটকে থাকতে হলেও তুষারপাতের কারণে পর্যটকদের মুখে দেখা গেছে খুশির ঝলক। মানালি মল রোডে বেড়ে গিয়েছে পর্যটকদের আনাগোনা। পর্যটক আসায় বেড়ে গিয়েছে হোটেল-ব্যবসাও।
উত্তর ভারতের পাহাড়ে বরফ পড়ার পিছনে দায়ী জোরালো পশ্চিমী ঝঞ্ঝা (ভূমধ্যসাগরীয় এলাকা থেকে বয়ে আসা ঠান্ডা, ভারী হাওয়া)। আবহবিদরা বলছেন, ঝঞ্ঝার জেরে গোটা উত্তর ভারত জুড়ে জোরালো শীতের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তার প্রভাব পড়বে এ রাজ্যেও।