
শেষ আপডেট: 17 October 2021 14:49
এবছর কুমোরটুলিতে মূর্তি তৈরিই হয়েছে অনেক কম। কারণ করোনা আবহে প্রতিমা কতটা বিক্রি হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত ছিলেন না কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীরা। তাই তাঁরা মূর্তি কম তৈরি করেছেন। তাঁদের দাবি, উপকরণের দাম বাড়লেও প্রতিমার দাম গড়ে গত বছরের তুলনায় ৫০-১০০ টাকার বেশি বাড়াননি।
তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রতিমার দাম মোটামুটি ৩০০ থেকে হাজার টাকা পর্যন্ত। ডাকের সাজের প্রতিমা আরও বেশি। তবে বড় প্রতিমা এবছর অনেক কম। একদিকে করোনার ধাক্কা, অন্যদিকে বাজারের আগুন দাম! সেই সঙ্গে যোগ দিয়েছে বৃষ্টির দাপট। লক্ষী প্রতিমা ঘরে আনতে বাঙালির পকেটে টান পড়বে ভেবেই এবছর ছোট প্রতিমা বেশি কুমোরটুলিতে।
ঠাকুর তৈরি হয়েছে মূলত দুরকমের, ছাঁচ আর কাঠামোর ঠাকুর। ছাঁচের ঠাকুরের দাম ৩০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে। প্রতিমা তৈরির খরচ এবছর অনেকটা বেড়েছে। তা সত্ত্বেও বেশি দাম নিচ্ছেন না বলে জানালেন হারাধন পাল। তাঁর বক্তব্য, 'লাভের কথা ভাবছিই না। এরকম বৃষ্টি চলতে থাকলে খুব সমস্যা। প্রতিমা ঘরে পরে থাকার চেয়ে কেনা দামে বিক্রি করে দেওয়া ভাল।"
'আমি একদিন আপনাকে গর্বিত করব', এনসিবি-কর্তাকে বললেন আরিয়ান
আর এক প্রৌঢ় শিল্পী ভোলা পাল জানালেন, বৃষ্টির জন্য বহু মানুষ ঠাকুর কিনতে আসতে পারেননি। এবছর শুরু থেকেই বৃষ্টি ভুগিয়েছে তাঁদের। লক্ষীপুজোতেও নিস্তার নেই। তাই অনেকেই ঝুঁকি না নিয়ে কেনা দামেই বিক্রি করছে। কারণ বৃষ্টিতে অনেকেই কুমোরটুলি না এসে, নিজের এলাকার বাজার থেকে ছোট প্রতিমা কিনে নিতে পারেন বলে আশঙ্কা তাঁদের।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'