রাজ্য–রাজনীতিতে এসআইআর (SIR News) ঘিরে টানাপড়েনের অন্ত নেই। একদিকে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দোরগোড়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), অন্যদিকে রাজ্যে পাল্টা চাপ বাড়াতে মাঠে নামলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
.jpeg.webp)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী
শেষ আপডেট: 2 February 2026 14:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্য–রাজনীতিতে এসআইআর (SIR News) ঘিরে টানাপড়েনের অন্ত নেই। একদিকে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দোরগোড়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), অন্যদিকে রাজ্যে পাল্টা চাপ বাড়াতে মাঠে নামলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
এসআইআর প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের হয়রানির অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রী যখন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে, ঠিক সেই সময় রাজ্যে বিজেপির (BJP News) পাল্টা কর্মসূচি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি প্রতিনিধিরা এসআইআর ইস্যুতে রাজ্য প্রশাসনকে চাপে ফেলতে প্রতিটি জেলার জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্য সরকারের কিছু আধিকারিক ইচ্ছাকৃত ভাবে ‘বৈধ ভোটার’-এর নাম বাদ দিচ্ছেন এবং সামান্য ভুল থাকলেও সাধারণ ভোটারদের হয়রানি করা হচ্ছে। এই গোটা প্রক্রিয়াকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই দাবি গেরুয়া শিবিরের।
এই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে চিঠি দেন বিরোধী দলনেতা। চিঠিতে ২ তারিখ মানে আজ সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়। তবে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যসচিবের দফতর থেকে পাল্টা বার্তা পাঠিয়ে জানানো হয়, আজ নয়, ৬ তারিখ সময় দেওয়া সম্ভব। সেই প্রস্তাবের বিরুদ্ধেই ফের চিঠি দেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর যুক্তি, ৬ তারিখ বিধানসভার অধিবেশন চলবে, ফলে সেদিন সাক্ষাৎ করা সম্ভব নয়। যদিও সেই দ্বিতীয় চিঠির কোনও উত্তর নবান্ন থেকে আসেনি বলে বিজেপির দাবি।
এরই মধ্যে প্রশাসনিক স্তরে সাড়া না মেলায় রাজভবনের দিকেই পা বাড়াচ্ছেন বিরোধী দলনেতা। সিদ্ধান্ত হয়েছে, সোমবার বিকেল চারটে নাগাদ শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপির একটি প্রতিনিধি দল লোকভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করবে এবং এসআইআর সংক্রান্ত অভিযোগগুলি তাঁর সামনে তুলে ধরবে।
বস্তুত, এদিনই বাংলা (West Bengal) থেকে নিয়ে যাওয়া ‘এসআইআরে ক্ষতিগ্রস্ত’ (SIR West Bengal) পরিবারের সদস্যদের হেনস্থার অভিযোগ পেয়েই গর্জে উঠলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। খবর পেয়েই ঘরের শাড়ি না বদলিয়েই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে ছুটে গেলেন দিল্লির বঙ্গভবনে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অধীন দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি। মোট কথা, প্রশাসনিক স্তর থেকে লোকভবন— সোমবার দিনভর যেন টানটান পরিস্থিতি।