
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 9 October 2024 14:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি করের পর এবার কলকাতা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ। নির্যাতিতার বিচারের দাবিতে মহাষষ্ঠীর দিনা গণইস্তফা দিলেন সংশ্লিষ্ট মেডিক্যাল কলেজের সিনিয়র চিকিৎসকরা।
মঙ্গলবার পঞ্চমীর দিন আরজি করের ৫০ জনের বেশি সিনিয়র ডাক্তার চাকরি থেকে গণইস্তফা দিয়েছিলেন। যদিও এ ব্যাপারে মঙ্গলবার রাতে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমাদের কাছে এরকম কোনও কিছু আসেনি।’’
অর্থাৎ এই গণ ইস্তফা সত্যিকারের পদত্যাগ নয়, এটি প্রতীকী ইস্তফা। প্রতিবাদের অঙ্গ হিসেবে এই প্রতীকী ইস্তফার আশ্রয় নিয়েছেন ডাক্তারবাবুরা।
কারণ, এভাবে গণ ইস্তফা দিয়ে সরকারি চাকরি ছাড়া যায় না। চাকরি থেকে ইস্তফা দিতে হলে প্রত্যেককে ইনডিভিজুয়াল দরখাস্ত দিতে হবে। এক্ষেত্রে সেটা করা হয়নি ফলে এই আবেদনগুলো গ্রাহ্য হবে না।
এক সিনিয়র চিকিৎসকের কথায়, এই ধরনের প্রতীকী গণ ইস্তফা আগেও হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে সাধারণত পদত্যাগপত্র পরপর জমা দিয়ে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। কিন্তু সরকার সে ইস্তফা গ্রহণ করে না। ফলে তা সত্যিকারের পদত্যাগ নয়। এক্ষেত্রে যদি কারও চিঠি গ্রহণ করে নেয় সরকার, তাহলে তাঁর কেরিয়ার বিপন্ন হতে পারে বলেও জানিয়েছেন ওই চিকিৎসক।
প্রায় দু'মাস হয়ে গেল আরজি করে তরুণী চিকিৎসকের নৃশংস ধর্ষণ ও খুনের। প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের আঁচ সেই যে জ্বলে উঠেছে, তা এতদিনে স্তিমিত হওয়ার বদলে বরং বারবার তীব্রতর হয়ে উঠেছে। ডাক্তারদের আন্দোলনের গতিও বাড়ছে ধাপে ধাপে। মিছিল, বৈঠক, অবস্থান-এসবের পরে শুরু হয়েছে আমরণ অনশন।
এদিকে বুধবার সকালে প্রায় ৮০ জনের স্বাক্ষর-সহ নাগরিক সমাজের তরফে চিঠি দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী এবং মুখ্যসচিবকে। এখন দেখার নবান্ন এ ব্যাপারে কী পদক্ষেপ করে।