দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্লেনের মধ্যে ঘুমন্ত মহিলা যাত্রীকে যৌন হেনস্থা করায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন বছর পঁয়ত্রিশের এক ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার। ঘটনাটি ডেট্রয়েটের একটি বিমানের। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির স্ত্রীও সেই সময় তাঁর পাশেই বসেছিলেন। কিন্তু তাতে কী? কুকীর্তি করতে গিয়ে দু'বার ভাবেননি প্রভু রামমূর্তি। জানা গিয়েছে বছর দুই ধরে একটি আইটি কোম্পানিতে চাকরি করতেন রামমূর্তি।
গত বছর ডিসেম্বর মাসে ঘুমন্ত সহযাত্রীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগে ওই ব্যক্তিকে সাজা শোনায় যুক্তরাষ্ট্রের ডিসট্রিক্ট জাজ টেরেন্স বার্গ। অবশেষে দোষী প্রমাণিত হন তিনি। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা পেয়েছেন প্রভু রামমূর্তি। যদি কোনওদিন ছাড়া পান তাহলে তাঁকে ভারতে পাঠানো হবে।লাস ভেগাস থেকে স্পিরিট এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে উঠেছিলেন রামমূর্তি, তাঁর স্ত্রী এবং ওই মহিলা। এরপর ঘুমন্ত অবস্থায় ২২ বছরের ওই মহিলাকে যৌন হেনস্থা করেন রামমূর্তি। ঘটনার প্রায় ৭ মাস পর রায় দিয়েছে আদালত। মিশিগানের সবচেয়ে বড় শহর ডেট্রয়েটের ফেডেরাল জুরি এই ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করেছে ওই ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারকে। অ্যাটর্নি ম্যাথু জানিয়েছেন, "কেউ যদি অন্য কারোর অসংলগ্ন অবস্থার সুযোগ নেয় সেটা কিছুতেই বরদাস্ত করা হবে না। আমরা ওই মেয়েটির সাহসের জন্যও তাঁর প্রশংসা করছি। কারণ গোটা ঘটনাটা তিনি প্রকাশ্যে এনেছেন।"
ওই মহিলা জানিয়েছিলেন বিমানে জালনার পাশের সিটটি ছিল তাঁর। তাঁর পাশেই বসেছিলেন রামমূর্তি। এবং তার পাশের সিটে বসেছিলেন প্রভু রামমূর্তির স্ত্রী। প্লেনে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন ওই মহিলা। আচমকাই ঘুম ভেঙে তিনি দেখেন তাঁর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আপত্তিকর ভাবে হাত দিচ্ছেন পাশের সিটে বসা ওই ব্যক্তি। মহিলাকে জেগে উঠতে দেখে তৎক্ষণাৎ সতর্ক হয়ে যান রামমূর্তি। ওই মহিলাও এক বিমানসেবিকাকে ডেকে গোটা বিষয়টি জানান। এরপর প্রভু রামমূর্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলা। প্রাথমিক ভাবে অবশ্য রামমূর্তি জানিয়েছিলেন, তিনি ঘুমাচ্ছিলেন এবং কিছুই করেননি।