
শেষ আপডেট: 29 August 2024 18:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: এসএফআইয়ের সমর্থক এক ছাত্রকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল টিএমসিপির বিরুদ্ধে। আরজি করের ঘটনায় প্রতিবাদ সংগঠিত করাতেই মারধর বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ল কোন্নগরের নবগ্রাম হীরালাল পাল কলেজে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। কলেজের অধ্যক্ষও দাবি করেছেন, বিষয়টা তাঁর জানা নেই। উত্তরপাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত ছাত্র।
নবগ্রাম হীরালাল পাল কলেজের বি-কম এর প্রথম বর্ষের ছাত্র অরিন্দম হালদার। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে তোলপাড় গোটা রাজ্য। এর বিরুদ্ধে দিকে দিকে চলছে প্রতিবাদ মিছিল। সূত্রের খবর, অরিন্দমও এই ঘটনার প্রতিবাদ করার জন্য বন্ধুদের নিয়ে একটি প্রতিবাদ মিছিল সংগঠিত করতে প্রচার করছিলেন। অরিন্দমের অভিযোগ, সেই কারণেই গত মঙ্গলবার তাঁকে কলেজের একটি ঘরে ঢুকিয়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ছেলেরা বাঁশ ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। তাঁর পিঠে চাকা চাকা দাগ হয়ে যায়। শ্রীরামপুর ওয়ালস হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয় তাঁর।
বুধবার রাতে আহত ছাত্রকে দেখতে তাঁর বাড়িতে পৌঁছন এসএফআই নেত্রী দীপ্সিতা ধর। এরপর বৃহস্পতিবার সকালে উত্তরপাড়া থানায় গোটা ঘটনা জানিয়ে এসএফআইয়ের তরফ থেকে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। হুগলি জেলা এস এফ আই সম্পাদক অর্ণব দাস বলেন, "আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ সংগঠিত করতে কলেজের ভিতরে প্রচার করছিল অরিন্দম হালদার ও অন্যান্য কয়েকজন ছাত্রছাত্রী। সানি খাসকেল ও সাগর দত্তগুপ্ত নামে দুই তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা অরিন্দমকে বেধড়ক মারধর করে। আমরা পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।"
যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যরা। তৃণমূল ছাত্র ও যুব সভাপতি শুভদীপ মুখার্জী বলেন,"যেটুকু শুনলাম ছেলেটি কলেজে নাকি কোন মহিলাকে কটূক্তি করছিল। সেই কারণে মেয়েরা তার উপরে চড়াও হয়। গোটা ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কোনও যোগ নেই।" নবগ্রাম হীরালাল পাল কলেজের অধ্যক্ষ শ্রীকান্ত সামন্ত বলেন, "আহত বা আক্রমণকারী কোনও পক্ষের তরফ থেকেই কোনও কিছু আমাকে জানানো হয়নি। যদি কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়ে তখন যথাযথ পদক্ষেপ করা হবে।"