Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালক

বাংলাদেশে হিজাব ঘিরে বিতর্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আদেশ বহাল আদালতে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কারও হাতে ‘হিজাব আমার অধিকার, শিক্ষাও আমার অধিকার’ লেখা পোস্টার (Hijab Controversy)। কারও হাতে ধরা পোস্টারে লেখা, ‘আমার নিকাব আমার ধর্মীয় প্রতীক’। কারটিতে লেখা, ‘হিজাব ইজ আওয়ার রাইট’। প্রতিবাদীদের সকলের পরনে হিজাব। ঢ

বাংলাদেশে হিজাব ঘিরে বিতর্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আদেশ বহাল আদালতে

শেষ আপডেট: 29 May 2023 11:32

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কারও হাতে ‘হিজাব আমার অধিকার, শিক্ষাও আমার অধিকার’ লেখা পোস্টার (Hijab Controversy)। কারও হাতে ধরা পোস্টারে লেখা, ‘আমার নিকাব আমার ধর্মীয় প্রতীক’। কারটিতে লেখা, ‘হিজাব ইজ আওয়ার রাইট’। প্রতিবাদীদের সকলের পরনে হিজাব।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Bangladesh) বাংলা বিভাগের বাইরে মাঝেমধ্যেই একদল ছাত্রীকে দেখা যাচ্ছিল এইভাবে প্রতিবাদে শামিল হতে। কিন্তু সোমবার সে দেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ জানিয়ে দিয়েছে, বাংলা বিভাগের নির্দেশিকা বহাল থাকবে। অর্থাৎ পরীক্ষার হল এবং মৌখিক পরীক্ষার সময় ছাত্রীদের কান-সহ মুখমণ্ডল খোলা রাখতে হবে।

হিজাব ব্যবহার করা মুসলিম নারীরা অনেকে মাথা কাপড়ে ঢাকার পাশাপাশি চোখ বাদে মুখমণ্ডলের বাকি অংশও ঢেকে রাখেন। বাংলা বিভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের চালু নিয়মই ফের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে স্মরণ করিয়ে দিয়েছিল গত মার্চে (Hijab Controversy)।

ওই আদেশের বিরুদ্ধে তিনজন ছাত্রী দেশের হাই কোর্টে মামলা করেন। হাই কোর্ট আদেশের উপর ছয়মাসের স্থগিতাদেশ জারি করে। সেই আদেশের বিরুদ্ধে হাই কোর্টের আপিল বিভাগে মামলা হলে তারা বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য সুপ্রিম কোর্টে পাঠিয়ে দেয়। শীর্ষ আদালত বলে, শিক্ষকদের সামনে ছাত্রীদের মুখমণ্ডল উন্মুক্ত করে হাজির হতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

প্রসঙ্গত, হিজাব নিয়ে সরকারি নির্দেশিকাকে ঘিরে গত বছর উত্তাপ ছড়িয়েছিল কর্নাটকের রাজনীতিতে। তখনকার বিজেপি সরকার প্রি-ইউনিভার্সিটি স্তর পর্যন্ত শিক্ষাঙ্গনে হিজাব নিষিদ্ধ করে। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলা এখন হাই কোর্ট হয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। হাই কোর্ট সরকারের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। পরে সুপ্রিম কোর্টে ডিভিশন বেঞ্চের দুই বিচারপতি সহমত হননি। একজন সরকারি সিদ্ধান্ত বহাল রাখার পক্ষে রায় দেন। অপরজন তা বাতিল করার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।

কর্নাটকেও হিজাব সাংবিধানিক অধিকার বলে আন্দোলনে নামেন মুসলিম মহিলারা। ওই রাজ্যে সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে হিজাব বিতর্কের প্রভাব পড়ে বলে মনে করা হচ্ছে। সদ্য ক্ষমতায় আসা কংগ্রেস সরকার এখনও হিজাব নিয়ে আগের সরকারের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কোনও পদক্ষেপের কথা জানায়নি। মামলাটি শীর্ষ আদালতের বিচারাধীন হওয়ায় এখনই সরকারের পক্ষে কিছু করার নেই।

প্রশ্ন হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Bangladesh) বাংলা বিভাগ এমন একটি নির্দেশ কেন জারি করল। বলা হচ্ছে হিজাব পরে অনেকে অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে থাকে। প্রকৃত পরীক্ষার্থীর পরিবর্তে অপর কেউ পরীক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করে। অতীতে এমন অনিয়ম নজরে আসায় এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

তবে প্রতিবাদীরা এই নির্দেশকে হিজাবে নিষেধাজ্ঞা বললেও কর্তৃপক্ষ তা মানতে নারাজ। বাংলা বিভাগের নির্দেশিকায় হিজাব কথাটিরও উল্লেখ নেই। তাদের বক্তব্য, নির্দেশিকায় শুধু পরীক্ষার সময়টুকু মুখমণ্ডল উম্মুক্ত রাখার কথা বলা হয়েছে।

চিনের তৈরি প্রথম বিমানের উড়ান সফল, বোয়িং-এয়ারবাসকে টক্কর দিতে এল চিনা জেট


```