Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালক

২৭ বছর আগে 'অবৈধ' সন্তানকে খুন করেছিল মা নিজে! যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজা বহাল রাখল বম্বে হাইকোর্ট

দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'অবৈধ' সম্পর্কের জেরে জন্ম নেওয়া সদ্যোজাত কন্যাসন্তানকে নিজের হাতে খুন করেছিলেন মা। ২৭ বছর আগের সেই ঘটনায় অভিযুক্ত মায়ের যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজা বহাল রাখল বম্বে হাইকোর্ট। জানা গেছে, স্বামীর মৃত্যুর আট বছর পরে গর্ভবতী হয়ে প

২৭ বছর আগে 'অবৈধ' সন্তানকে খুন করেছিল মা নিজে! যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজা বহাল রাখল বম্বে হাইকোর্ট

শেষ আপডেট: 12 August 2020 07:53

দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'অবৈধ' সম্পর্কের জেরে জন্ম নেওয়া সদ্যোজাত কন্যাসন্তানকে নিজের হাতে খুন করেছিলেন মা। ২৭ বছর আগের সেই ঘটনায় অভিযুক্ত মায়ের যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজা বহাল রাখল বম্বে হাইকোর্ট। জানা গেছে, স্বামীর মৃত্যুর আট বছর পরে গর্ভবতী হয়ে পড়েছিল তরুণী। মেয়ের জন্ম দিয়েও লোকলজ্জা থেকে বাঁচতে তাকে খুন করার পদক্ষেপ করেছিল মা। বিচারপতি আরডি ধনুকা এবং সুরেন্দ্র তাভাড়ের ডিভিশন বেঞ্চ এদিন জানিয়েছে, সমস্ত তথ্যপ্রমাণই অভিযুক্ত কমলাবাই ঘারাতের বিপক্ষে গেছে এই ঘটনায়। এমনকি অভিযুক্তের হয়ে সওয়াল করার জন্য কোনও আইনজীবীও এগিয়ে আসেননি। ফলে অভিযুক্তের যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজা বহাল রাখারই নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ঘটনাটি ১৯৯৩ সালের, নভেম্বর মাসের ১০ তারিখে। মুম্বইয়ের কাছে উড়ান শহরের নবসেবা এলাকার বাসিন্দারা বাসস্ট্যান্ডের কাছে একটি সদ্যোজাত শিশুকন্যাকে পড়ে থাকতে দেখতে পান। এক মহিলা তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে এসে যত্ন করে, খাবার দিয়ে প্রাণেও বাঁচান। তার পরে তিনিই পুলিশে খবর দিয়েছিলেন। তদন্তে নেমে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল কমলাবাইকে। তার অন্তঃসত্ত্বা অবস্থা ও তার পরে বাচ্চার কোনও খোঁজ না মেলার কথা সামনে আসায় দুইয়ে দুইয়ে চার হয়েছিল। এর পরে পুলিশ কমলাবাই ও তার বাচ্চাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় চিকিৎসার জন্য। হাসপাতালেই নিজের সন্তানকে খুন করে বসে কমলাবাই! পুলিশ অভিযোগ দায়ের করে মামলা রুজু করে। ১৯৯৫ সালে দায়রা আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয় কমলাবাই। যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজা ঘোষণা করেন বিচারক। এর পরে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় কমলাবাই। আবেদন করে জানায়, ঠিক কোন কোন পরিস্থিতি ও চ্যালেঞ্জের মুখে সে এই কাণ্ড ঘটাতে বাধ্য হয়েছিল। সেই আবেদনের শুনানিই চলছিল এত বছর ধরে। অবশেষে মঙ্গলবার আবেদন খারিজ করে বম্বে হাইকোর্ট জানিয়ে দিল, সাজা বহাল থাকছে। এত দিনে অবশ্য ২৭ বছর জেল খাটা হয়ে গেছে কমলাবাইয়ের। এদিন সরকারি পক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, কমলাবাই যে তার সন্তানকে বাসস্ট্যান্ডে ফেলে দিয়েছিল, সে বিষয়ে সমস্ত তথ্য প্রমাণ মিলেছে। তবে তাকে উদ্ধার করার পরে তার শরীর ও স্বাস্থ্য যথেষ্ট ভাল ছিল। সেই অবস্থাতেই মায়ের কাছে তাকে দেওয়া হয় এবং হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে যখন শিশুর মৃত্যু হয়, তখন তার সঙ্গে মা ছাড়া আর কেউ ছিল না। বিচারপতি রায় দেন, সমাজবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার কারণেই গর্ভবতী হয়েছিল কমলাবাই। কিন্তু তার পরে আর সন্তানের দায়িত্ব নিতে চায়নি। ফলে নিজে হাতে খুন করে সদ্যোজাতকে। এই অপরাধের জন্য যাবজ্জীবন জেলেই কাটাতে হবে কমলাবাইকে।

```