
শেষ আপডেট: 17 January 2024 21:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে কোনও রোগীকে ফেরানো যাবে না, বারবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফে এই বার্তা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে রোগী ফেরানো হলে সংশ্লিষ্ট বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে, এই বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাও বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রায়ই ভুড়ি ভুড়ি অভিযোগ আসে। তাই এবার থেকে বেসরকারি হাসপাতাল নতুন ফ্লোর তৈরি করলে সেখানে একটি ‘স্বাস্থ্যসাথী’ ব্লক বাধ্যতামূলকভাবে রাখতে হবে। এমনই কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
২০১৬ সালে স্বাস্থ্যসাথী স্কিম চালু করেছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রাজ্যের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যার সমাধানেই এই প্রকল্পের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এই স্কিমের আওতায় স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকলে রাজ্যের বাসিন্দারা বার্ষিক পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসার জন্য পেতে পারে। কিন্তু বিভিন্ন সময়ে বেসরকারি হাসপাতাল ও নার্সিংহোমগুলির বিরুদ্ধে অত্যাধিক বিল নেওয়া এবং স্বাস্থ্য সাথী স্কিম প্রত্যাখ্যানের অভিযোগ উঠেছে। তাই এবার সাথী কার্ড সংক্রান্ত বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পুরসভা।
বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে নতুন ফ্লোর তৈরির অনুমতি নিতে গেলে এবার থেকে পুরসভার নতুন সিদ্ধান্ত মানতে হবে। কোনও স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড থাকা রোগীকে ফেরানো যাবে না। পর্যাপ্ত চিকিৎসা করতেই হবে। অর্থাৎ নতুন ফ্লোর বা তল তৈরি করলে সেখানে একটা ‘স্বাস্থ্যসাথী’ ব্লক বাধ্যতামূলকভাবে রাখতে হবে। সংশ্লিষ্ট ব্লকে ভর্তি করা যাবে মেয়র অনুমোদনে ভর্তি কোনও রোগীকেও।
নির্দেশ অনুযায়ী, কোনও গুরুতর রোগে ভুক্তভোগীদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড চিকিৎসার ক্ষেত্রে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। পুরসভা সূত্রের খবর, মেয়র পরিষদের বৈঠকে ইতিমধ্যে বিষয়টি অনুমোদন পেয়েছে। এবার পুরসভার অধিবেশনে পাশ হওয়ার পর বিল্ডিং আইনে আসবে সংশোধনী। এরপরই নতুন আইনের নোটিস হাতে পাবেন বেসরকারি হাসপাতালগুলি।