গত লোকসভায় ডায়মন্ড হারবারের প্রার্থী ছিলেন, আসন্ন বিধানসভাতেও লাল দুর্গের হাল ফেরাতে তাঁর নাম ভাবা হচ্ছিল বলে জানা যায়।

প্রতিকুর রহমান
শেষ আপডেট: 16 February 2026 12:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সিপিএমের রাজ্য কমিটি থেকে ইস্তফা দিলেন প্রতিকুর রহমান। সূত্রের খবর, একাধিক ইস্যুর প্রতিবাদে আলিমুদ্দিনে পৌঁছেছে তাঁর ইস্তফাপত্র। গত লোকসভায় ডায়মন্ড হারবারের প্রার্থী ছিলেন, আসন্ন বিধানসভাতেও লাল দুর্গের হাল ফেরাতে তাঁর নাম ভাবা হচ্ছিল।
তৃণমূল থেকে বেরিয়ে সম্প্রতি নিজের দল গড়েন হুমায়ুন কবীর। তারপরই হুমায়ুনের সঙ্গে বৈঠক করেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। সেই বৈঠক নিয়ে জোর বিতর্ক হয়। সিপিএমের একাংশের বক্তব্য ছিল, বৈঠক সম্পর্কে তাঁরা নাকি কিছুই জানতেন না। সংবাদ মাধ্যম থেকে পুরোটা জেনেছেন।
বৈঠকের বিষয়বস্তু নিয়েও বিতর্ক বাধে। সিপিএমের একাংশ এই বৈঠককে ভালভাবে নেয়নি। যদিও শতরূপ ঘোষের মতো কিছু নেতা সেলিমের পাশে দাঁড়ান এবং বিষয়টিকে সদর্থকভাবে নেওয়ার আবেদন জানান।
লাল দুর্গের ভরসা তরুণ প্রজন্মের একাংশ অবশ্য সেটা নিয়েও বিরক্ত হন। অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়াকে বেছে নেন ক্ষোভ প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে। তালিকায় ছিলেন সোশ্যাল মিডিয়া খুব একটা ব্যবহার না করা প্রতিকুরও। অনেকেই বলাবলি করছেন, নাম না করে শতরূপ ঘোষকে খোঁচা দিয়ে তিনি ওই পোস্টে দলের নীতি নৈতিকতা নিয়ে লেখেন।
পোস্টে বলা হয়, ‘নীতি নৈতিকতা ছাড়া আর যাই হোক কমিউনিস্ট পার্টি হয় না।’
এদিন যে চিঠি সামনে এসেছে (সত্যতা যাচাই করেনি দ্য ওয়াল), তাতেও নৈতিকতার প্রসঙ্গই স্পষ্ট। জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের দিকে আঙুল তুলেছেন এই তরুণ তুর্কি। জানিয়েছেন, দলীয় নেতৃত্বের ভাবনা ও কর্মপদ্ধতির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারছেন না তাই মানসিক দ্বন্দ্বের মধ্যে দিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে। এটা আর তিনি চান না।

এই অবস্থা থেকে তাই অব্যহতি চেয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, পার্টির প্রাথমিক সদস্য হিসেবে সরে দাঁড়ানোরও আবেদন জানিয়েছেন।
এনিয়ে বর্তমানে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। অনেকেই জানতে চাইছেন অন্দরে ঠিক কী এমন হল যাতে প্রতিকুরের মতো লড়াকু নেতাকে সরে দাঁড়াতে হচ্ছে। এনিয়ে অবশ্য আলিমুদ্দিনের তরফে কিছু এখনই জানা যায়নি।