Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
নববর্ষে রাজ্যপালের মুখে ‘পরিবর্তনের’ ডাক! ‘লাটসাহেব’কে নিয়ে ছেড়ে কথা বললেন না মমতাওস্যালাড খেলেই সুস্বাস্থ্য নয়! ভুলেও কাঁচা খাবেন না এই ৩ সবজি, কারণ জানুনইরানকে কি অস্ত্র দিচ্ছে চিন? শি জিনপিংয়ের চিঠির পর জল্পনা ওড়ালেন ট্রাম্প'দেশু ৭'-এ অনির্বাণ, এবার ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’য় কোন নায়কের এন্ট্রিতে চমক?এখনই সুরাহা নেই, রান্নার গ্যাসের আকাল চলতে পারে আরও ৪ বছর! দুশ্চিন্তা বাড়বে ভারতের আমজনতার?লোকসভার আসন বেড়ে হচ্ছে ৮৫০, কতটা লাভ বাংলার? সবচেয়ে বেশি ও কম সিট বাড়ছে কোন রাজ্যে?নববর্ষে কলকাতা সফরে আইওসি-র শীর্ষ কর্তা, এলপিজির বাস্তব পরিস্থিতি দেখতে হাজির গ্যাসের দোকানেও৮ হাজার লিটার গঙ্গাজল, গরু আর রুপোর কলসী! ফিরে দেখা জয়পুরের মহারাজার আজব লন্ডন-সফরগুয়ার্দিওলা-পরবর্তী ফুটবলের নমুনা মেলে ধরেছে কোম্পানি আমলের বায়ার্ন! আজ সামনে রিয়ালআশা ভোঁসলের শেষযাত্রায় যাননি শাহরুখ-সলমন! বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে সামনে এল আসল কারণ

করোনায় সুস্থতার হার বাড়ছে দেশে, সংক্রমণের হার স্থিতিশীল

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনায় মৃত্যুহার কমছে দেশে। সুস্থতার হার বেড়ে চলেছে। একই সঙ্গে সংক্রমণের হারও একটা পয়েন্টে গিয়ে থিতু হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের করোনা পরিসংখ্যাণে আশা জাগছে ধীরে ধীরে। গত কয়েকদিন ধরেই দৈনিক সংক্রমণ বৃদ্ধির হার কম।

করোনায় সুস্থতার হার বাড়ছে দেশে, সংক্রমণের হার স্থিতিশীল

শেষ আপডেট: 17 August 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনায় মৃত্যুহার কমছে দেশে। সুস্থতার হার বেড়ে চলেছে। একই সঙ্গে সংক্রমণের হারও একটা পয়েন্টে গিয়ে থিতু হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের করোনা পরিসংখ্যাণে আশা জাগছে ধীরে ধীরে। গত কয়েকদিন ধরেই দৈনিক সংক্রমণ বৃদ্ধির হার কম। নতুন সংক্রমণ ৬০ হাজারের মধ্যেই ঘোরাফেরা করছে। আজ, মঙ্গলবার সকালের বুলেটিনে দেখা গেছে একদিনে করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ৫৫ হাজার। আবার একদিনে সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থও হয়েছেন ৫৭ হাজারের বেশি। সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ শতাংশে। আজকের বুলেটিনে এটা সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক। এবার আসা যাক কোভিড পজিটিভিটি রেট-এ।  প্রতিদিন যত জন রোগীর করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে তার মধ্যে প্রতি ১০০ জনে যতজন রোগীর কোভিড টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসছে, তাকেই বলে কোভিড পজিটিভিটি রেট বা সংক্রমণের হার। অর্থাৎ যতগুলো কোভিড টেস্ট হচ্ছে এবং তার মধ্যে যতজনের করোনা ধরা পড়ছে তার শতাংশের হিসেব। কোভিড পজিটিভিটি রেট থেকেই বোঝা যায় সংক্রমণ কী পরিমাণে ছড়াচ্ছে এবং কতজনের মধ্যে ছড়াচ্ছে। কেন্দ্রের গত কয়েকদিনের হিসেবে দেখা গেছে, এই সংক্রমণের হার কখনও বেড়েছে আবার কখনও ঝপ করে কমে গেছে। গত রবিবার কোভিড পজিটিভিটি রেট কমে হয়েছিল ৭.৯%। সোমবার সেটাই ফের পৌঁছয় ৮ শতাংশের কাছাকাছি। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের হার আর বাড়েনি। একটা পয়েন্টেই স্থিতিশীল হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণের হার আরও কমে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, করোনা সংক্রমণের হার তথা কোভিড পজিটিভিটি রেট যদি ১০ শতাংশের নিচে থাকে, তাহলে সেটা ইতিবাচক দিক। দেশে এখন পজিটিভিটি রেট ১০ শতাংশের কমেই আছে। সংক্রমণের হার স্থিতিশীল হওয়াও ভাল খবর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে করোনা টেস্ট আগের থেকে অনেক বেড়েছে। যত বেশি টেস্ট করা হবে আক্রান্ত রোগীদের তত দ্রুত চিহ্নিত করা যাবে। যদি দেখা যায়, কোভিড পরীক্ষা অনেক বেশি হচ্ছে, কিন্তু আক্রান্তের হার বাড়ছে না একজায়গাতেই দাঁড়িয়ে আছে, তাহলে বুঝতে হবে সংক্রমণ ছড়ানোর হার কমেছে। সহজ কথায় বলতে গেলে, সংক্রমণ একটা গণ্ডিতেই আটকে গেছে। বেশিজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে না। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের লক্ষ্য হল এই পজিটিভিটি রেট পাঁচ শতাংশের মধ্যে বেঁধে ফেলা। তাহলে সংক্রমণ ছোট ছোট জায়গাতেই আটকে যাবে। বেশি এলাকাজুড়ে ছড়াতে পারবে না, ফলে সহজেই সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। দেশের কিছু রাজ্যে অবশ্য এই পজিটিভিটি রেট চিন্তার কারণ। যেমন মহারাষ্ট্র, গোয়া, ছত্তীসগড়, হিমাচল প্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গে কোভিড পজিটিভিটি রেট জাতীয় গড় হিসেবের থেকেও বেশি। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চের (আইসিএমআর) হিসেব বলছে দেশে কোভিড টেস্ট প্রায় ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এখনও অবধি তিন কোটির বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। গতকাল, সোমবারই দেশে সর্বাধিক করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। একদিনে আট লাখের বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। অগস্টের শেষেই প্রতিদিনের হিসেবে দশ লাখের বেশি কোভিড টেস্ট করার লক্ষ্য স্থির হয়েছে। সেই হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি ল্যাবরেটরির সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। ফেব্রুয়ারি-মার্চে যেখানে দেশে ৫২টি ল্যাবরেটরিতে করোনা পরীক্ষার মতো পরিকাঠামো ছিল, এখন সেই সংখ্যায় ১৪৭৬। স্বাস্থ্য আধিকারিকরা বলছেন, কোভিড টেস্ট ও কনট্যাক্ট ট্রেসিংয়ে অনেক বেশি রোগীকে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। সেই অনুরূপ চিকিৎসাও হচ্ছে, তাই সুস্থতার হারও বাড়ছে দেশে। এখনও অবধি ১৯ লাখ করোনা রোগী সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থ হয়েছেন। আজকের হিসেবেই ৫৭ হাজারের বেশি সেরে উঠেছেন। সুস্থতার হার তাই বাড়ছে। একই সঙ্গে মৃত্যুহার কমছে।  জুলাই মাসের মাঝামাঝি থেকেই মৃত্যুহার কমতে শুরু করেছিল। দু’সপ্তাহে কোভিড ডেথ রেট ছিল ২.৩৩%।  গত সপ্তাহেই এক ধাক্কায় মৃত্যুহার কমে দাঁড়ায় ২ শতাংশে। আজ স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিনে দেখা গেল, মৃত্যুহার আরও কমে ১.৯২ শতাংশে পৌঁছে গেছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় এখনও অবধি ভারতে করোনায় মৃত্যুহার সবচেয়ে কম।

```