Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
প্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা

ব্যান্ডেল ইএসআই হাসপাতালে অস্বস্তিতে চুঁচুড়ার বিধায়ক, সুপারের ঘরে গোষ্ঠী কোন্দল

ব্যান্ডেল ইএসআই হাসপাতালের পরিষেবা খতিয়ে দেখতে গিয়েছিলেন চুঁচুড়ার বিধায়ক ও তৃণমূল নেতা অসিত মজুমদার।

ব্যান্ডেল ইএসআই হাসপাতালে অস্বস্তিতে চুঁচুড়ার বিধায়ক, সুপারের ঘরে গোষ্ঠী কোন্দল

শেষ আপডেট: 25 July 2025 15:03

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ব্যান্ডেল ইএসআই হাসপাতালের পরিষেবা খতিয়ে দেখতে গিয়েছিলেন চুঁচুড়ার বিধায়ক ও তৃণমূল নেতা অসিত মজুমদার। অভিযোগ ছিল, পরিষেবা খারাপ, খাবারের মান নিম্ন, নিয়োগে অনিয়ম। এই সবকিছু খতিয়ে দেখতে গিয়ে নিজের দলের অন্দরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের মুখোমুখি হলেন তিনি।

হাসপাতাল ক্যান্টিন থেকে শুরু করে প্রতিটি ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন বিধায়ক। রোগীদের খাবার নিজে চেখে দেখেন এবং বলেন, "খাবারের মান খুব একটা খারাপ নয়।" যদিও হাসপাতালের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিয়ে সন্তুষ্ট নন তিনি।

এরপরই সোজা হাসপাতালের সুপার ইন্দ্রনীল দাসের ঘরে যান বিধায়ক। সেখানেই সৃষ্টি হয় উত্তপ্ত পরিস্থিতি। বিধায়ক অসিত মজুমদার অভিযোগ তোলেন, "হাসপাতালে একাধিক বেআইনি নিয়োগ হয়েছে, যেখানে যোগ্যতা নয়, সুপারিশই বড় কথা হয়ে উঠেছে।" তবে এই অভিযোগ তৎক্ষণাৎ উড়িয়ে দেন সুপার। তিনি পাল্টা বলেন, "আপনার দলের লোকেরাই সুপারিশে নিয়োগ পেয়েছেন। নিয়োগ হয়েছে ঠিকাদারের মাধ্যমে এবং নিয়ম মেনেই।"

সেখানে উপস্থিত এক তৃণমূল কর্মী মুরারি বাল্মিকী ফের প্রশ্ন তোলেন, কেন তাঁর এলাকার ১০ জন যুবককে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে কাজ থেকে। সুপারের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তোলেন তিনিও। এই বক্তব্য শুনে কিছুটা অস্বস্তিতে পড়ে যান বিধায়ক।

সুপার ইন্দ্রনীল দাস জানিয়েছেন, ঠিকাদার মারফত নিয়োগ হয় এবং এলাকার মানুষের সঙ্গে আলোচনা করেই তা করা হয়। এ বিষয়ে তাঁর নিজের কিছু করার নেই। আগের থেকে পরিষেবা অনেক উন্নত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, কর্মী নিয়োগে অসন্তোষ এবং পরিষেবা ঘিরে অভিযোগ—এই সবকিছুর জেরে চুঁচুড়ার বিধায়কের পরিদর্শন ঘিরে  শুক্রবার হাসপাতাল চত্বরে তৈরি হল উত্তপ্ত পরিস্থিতি। এই ঘটনা ফের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, রাজনীতির রং লাগা সরকারি পরিষেবার বাস্তব চিত্র।


```