Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল?

ক্লাস বন্ধ রেখে মিছিল কেন? শিক্ষক সংগঠনের দায়ের করা মামলায় প্রশ্ন হাইকোর্টের

ক্লাস বন্ধ রেখে মিছিল কেন? শিক্ষক সংগঠনের দায়ের করা মামলায় প্রশ্ন হাইকোর্টের

শেষ আপডেট: 5 October 2023 12:27

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুজোর আগে ফের কলকাতার রাজপথে মিছিল করতে চাইছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। কিন্তু পুলিশের তরফে অনুমতি মিলছিল না। তাই নিজেদের দাবি আদায়ের লড়াইয়ের জন্য কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু সেই মামলায় বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত প্রশ্ন তুললেন, কাজের দিনে ক্লাস না করে কীভাবে মিছিল করার কথা ভাবছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা!

আগামী ১৩ অক্টোবর বৃহত্তর গ্র্যাজুয়েট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন তাঁদের বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আচার্য সদন থেকে বিকাশ ভবন পর্যন্ত মিছিল করতে চেয়েছিল। সেই মিছিলে সামিল হওয়ার কথা ছিল রাজ্যের প্রায় ৩ হাজার শিক্ষকের। কিন্তু সেই মিছিল করার অনুমতি দিচ্ছিল না পুলিশ। তাই পুলিশের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে উঠেছিল সেই মামলা।

বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত কাজের দিনে মিছিল করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন। তিনি জানতে চান, শিক্ষকরা ক্লাস না নিয়ে কাজের দিনে কী করে মিছিলে অংশ নেবেন? প্রয়োজনে আগে ক্লাস করিয়ে তারপরে এমন সাংগঠনিক বিষয়ে যোগ দেওয়া উচিত। অথবা ছুটির দিনে এমন ব্যাপারে যোগ দেওয়া যুক্তিযুক্ত। তিন হাজার শিক্ষক এইভাবে দিনের ব্যাস্ত সময় শহরে মিছিল করলে তাতে অনুমতি দেওয়া যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।

মামলার শুনানিতে রাজ্য সরকারের পক্ষের আইনজীবী জানান, পুজোর আগে এমন মিছিলে অনুমতি দিলে সাধারণ মানুষের সমস্যা হবে। তাই পুজোর পরে অনুমতি দেওয়ার আর্জি জানান তিনি। কিন্তু বিচারপতি সেনগুপ্ত জানিয়ে দেন, বিষয়টা পুজোর আগে না পরে, তা নিয়ে নয়। মহালয়ার আগেও সেই মিছিল করা যেতে পারে। প্রশ্ন হল, কেন এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষকের জমায়েতের জন্য কাজের দিনকেই বেছে নেওয়া হল। 

তিনি জানিয়ে দেন, রাজ্য ও আবেদনকারীরা ভিন্ন কোনও রাস্তা বা বিকল্প কোনও ফাঁকা জায়গায় জমায়েতের প্রস্তাব নিয়ে আসুন। তখন বিবেচনা করে দেখা হবে। আগামীকাল এই মামলার শুনানি রয়েছে।

এর আগে বকেয়া মহার্ঘভাতা আদায়ের দাবিতে রাজ্যের স্কুলশিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের একাংশ গত মার্চ মাসে ধর্মঘট পালন করেছিলেন। তখন রাজ্য সরকারের তরফেও একই প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। ক্লাস বন্ধ রেখে ধর্মঘটে সামিল হওয়া নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মঘটে যোগ দেওয়া শিক্ষকদের হাজিরা খাতা এবং অন্যান্য তথ্য চেয়ে জেলার শিক্ষা আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছিল শিক্ষা দফতর। ধর্মঘটে যোগ দেওয়া শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা করেছিল অনেকে। এমনকী, সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার রাজনীতি করারও অভিযোগ তুলেছিল শিক্ষক মহল।


```