সূত্রের খবর, সম্প্রতি কলেজের শিশু দন্তচিকিৎসা বিভাগে (পেডোডনটিকস ও প্রিভেনটিভ ডেন্টিস্ট্রি) ‘কনশাস সিডেশন মেশিন’ নামে দুটি যন্ত্র কেনা হয়েছে। অভিযোগ, ৩ লক্ষ টাকার যন্ত্র কেনা হয়েছে প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি দামে।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 28 June 2025 16:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যন্ত্র কেনায় দুর্নীতির (corruption) অভিযোগে বিতর্কে জড়াল আর আহমেদ ডেন্টাল কলেজ (R Ahmed Dental College)। দাঁতের চিকিৎসায় ব্যবহৃত যন্ত্রের বাজারদর ৩ থেকে সাড়ে ৮ লক্ষ টাকার মধ্যে হলেও, তা কেনা হয়েছে ১৫ লক্ষ টাকায়। অভিযোগ উঠেছে, স্বাস্থ্যভবন থেকে নির্দিষ্ট একটি সংস্থাকে বরাত পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে, অন্যদের টেন্ডার ডাকার সুযোগ দেওয়া হয়নি।
সূত্রের খবর, সম্প্রতি কলেজের শিশু দন্তচিকিৎসা বিভাগে (পেডোডনটিকস ও প্রিভেনটিভ ডেন্টিস্ট্রি) ‘কনশাস সিডেশন মেশিন’ নামে দুটি যন্ত্র কেনা হয়েছে। অভিযোগ, ৩ লক্ষ টাকার যন্ত্র কেনা হয়েছে প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি দামে।
স্বাস্থ্যভবনের তরফে কেনাকাটির দায়িত্বে থাকা ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল সার্ভিস কর্পোরেশনের ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। কীভাবে বাজারদরের চেয়ে এত বেশি দামে যন্ত্র কেনা হল, তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি।
আর আহমেদ ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. তপন গিরি ফোনে মন্তব্য করতে চাননি। স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম জানিয়েছেন, “প্রাথমিকভাবে এমন কোনও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।”
চিকিৎসকদের মতে, শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের আচ্ছন্ন করে দাঁতের বিভিন্ন চিকিৎসা সহজ করতে ‘কনশাস সিডেশন মেশিন’ অত্যন্ত কার্যকর। তবে, এই যন্ত্রের দাম বাজারে সর্বোচ্চ ৮ লক্ষ টাকা হলেও, কেন এত বেশি খরচ হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে জমা পড়া অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হবে কিনা, সেদিকে নজর রাখছেন সকলেই।