
শেষ আপডেট: 6 March 2023 08:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল থেকে মহিলাদের ছবি ব্যবহার করে তা বিকৃত করা হত (morphing photos)। তারপর তা দিয়ে বানানো হত অশালীন ভিডিও (sextortion)। সেই ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে চাওয়া হত টাকা। অবস্থা এমনই হয়েছিল, যে সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় মহিলাদের রাতের ঘুম উড়ে যাচ্ছিল। সেই ঘটনায় গত ছয় মাস ধরে তদন্ত চালিয়ে শেষমেশ ১৯ বছর বয়সি সোশ্যাল মিডিয়া 'ত্রাস'কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ (19-year-old arrested)।
গত বছরের জুলাই মাসে মুম্বইয়ের অ্যান্টপ হিল এলাকার একাধিক মহিলা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁরা জানান, তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে প্রোফাইল পিকচার চুরি করে তা বিকৃত করে তা দিয়ে অশ্লীল ভিডিও বানিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। সেসব ভুয়ো ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাঁদের ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টা করছে কেউ। ভিডিও ডিলিট করে দেওয়ার জন্য ক্ষেত্রবিশেষে ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকা চাওয়া হচ্ছে তাঁদের কাছে।
অবস্থা এমন জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছিল যে আতঙ্কে রীতিমতো ঘুম উড়ে গিয়েছিল নির্যাতিতা মহিলাদের। অনেকে আত্মহত্যারও চেষ্টা করেছিলেন। অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্ত করতে শুরু করে পুলিশ। খোঁজখবর করে জানা যায়, এসবের মূল কান্ডারি হল ১৯ বছর বয়সি এক স্কুলছুট তরুণ। আদিত্য প্রশান্ত নামে ওই অভিযুক্ত দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করার পর লেখাপড়া ছেড়ে দেয়। তারপর গান্ধীনগরের একটি সার্জিক্যাল মাস্ক তৈরির কারখানায় কাজ করছিল সে।
পুলিশ জানিয়েছে, অন্তত ৩৯ জন মহিলাকে নিজের ফাঁদে ফেলেছিল অভিযুক্ত। তাঁদের মধ্যে অনেকেই সামাজিক সম্মানহানির ভয়ে মুখ খোলেননি। তবে ২২ জন মহিলা চুপ না থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অ্যান্টপ হিল থানার সিনিয়র ইন্সপেক্টর নাসির কুলকার্নি জানিয়েছেন, নির্যাতিতা মহিলাদের মধ্যে অনেকেই অবসাদে ভুগছিলেন। কেউ কেউ আত্মহত্যারও চেষ্টা করেছিলেন।
৬ মাস তদন্ত চালানোর পর অবশেষে গান্ধীনগর থেকে আদিত্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি এবং তথ্য প্রযুক্তি আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলার রুজু করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই সেই মামলার চার্জশিট দাখিল করেছে। তবে বর্তমানে জামিনে মুক্ত রয়েছে অভিযুক্ত।
বান্ডিল বান্ডিল টয়লেট পেপার খান এই যুবতী, ২৩ বছর ধরে কাগজ খেয়েই যাচ্ছেন